
নিজস্ব প্রতিবেদক :
কক্সবাজার পুলিশ লাইন থেকে গিয়ে কুতুবদিয়ায় অবস্থান করছেন ক্লোজড এসআই জয়নাল। গত তিন দিন ধরে উপজেলাটির ধুরং বাজার, লেমশীখালী ও কৈয়ারবিল এলাকায় রহস্যজনকভাবে ঘোরাফেরা করছেন। এ নিয়ে জনমনে সৃষ্টি হয়েছে ভীতির।
জানা গেছে, গত ২৪ ডিসেম্বর কক্সবাজার থেকে কুতুবদিয়ায় পৌঁছেন ক্লোজড এসআই জয়নাল। উপজেলাটিতে পৌঁছেই উপজেলাটির চিহ্নিত কয়েকজন থানার দালালের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এছাড়া কুতুবদিয়া থানায় রহস্যজনকভাবে ঘুরাফেরা করতে থাকেন। অনেকে তাকে থানায় ওসির সঙ্গে কথা বলতেও দেখেছেন। তবে, কি কারণে জাতীয় নির্বাচনের আগে হঠাৎ করে বিতর্কিত এই এসআই জয়নাল কুতুবদিয়া থানায় এলো তা নিশ্চিত করে কেউ বলতে পারছে না। অনেকেই সন্দেহ করছেন, মিথ্যা, মামলার ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অনৈতিকভাবে টাকা আদায় করতেই তার কুতুবদিয়া গমন।
উল্লেখ্য, ইতিপূর্বে এসআই জয়নালকে মহেশখালী থানায় কর্তব্যরত অবস্থায় অনৈতিক কাজে জড়িয়ে পড়লে শাস্তি হিসেবে কুতুবদিয়ায় বদলী করা হয়। সেখানে চাকরিরত থাকা অবস্থায় প্রায় দেড় মাস আস আগে ক্লোজড করে নিয়ে আসা হয় কক্সবাজার শহরের পুলিশ লাইনে। তাঁর বিরুদ্ধে হাইকোর্টে দুইটি রিট আবেদন উপস্থাপন করেন কুতুবদিয়ার এক নারী ও এক ব্যক্তি। ৮৭ হাজার টাকা ঘুষ নেয়ার অভিযোগে একটি রিট আবেদন উপস্থাপন করা হয়। ৭ ব্যক্তিকে কুতুবদিয়ার তবলের চর এলাকার সরকারি জমি বর্গা দেয়ায় অপর রিট আবেদনটি দায়ের করা হয়েছিল। আদালত বিষয়টি আমলে এনে তদন্তের নির্দেশ দেন।
এ বিষয়ে মুঠোফোনে জানতে চাইলে এসআই জয়নাল বলেন, আমি এখন নিয়মিত হিসেবে কুতবদিয়া থানায় কর্মরত আছি।
অন্যদিকে বিষয়টি নিয়ে প্রথমদিকে কোন মন্তব্য করতে না চাইলেও পরবর্তীতে এই প্রতিবেদককে কুতুবদিয়া থানার ওসি দিদারুল ফেরদৌস বলেন, এসআই জয়নালের পরিবার কুতুবদিয়ায় অবস্থান করছে। চাঁদাবাজির বিষয়টি সংবাদকর্মীদের বানানো বলেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
এ ব্যাপারে জানার জন্য কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন, এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইকবাল হোছাইনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হয়। পরবর্তীতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে ক্ষুদে বার্তার মাধ্যমে বিষয়টি জানানো হলেও উল্লিখিত দুই পুলিশ কর্মকর্তার বক্তব্য জানা যায়নি।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.