এম.আর মাহবুব; কক্সভিউ :
প্রকাশ্য দিবালোকে খুটাখালীর ন্যাশনাল পার্ক গিলে খাচ্ছে প্রভাবশালী এক অসাধু ব্যক্তি। পলিথিনের অস্থায়ী বেড়া দিয়ে খুটাখালীর প্রস্তাবিত ন্যাশনাল পার্কে পাহাড়-টিলা কাটার মহোৎসব চালাচ্ছে মোহাম্মদ শাহজাহান নামের এক যুবক। শুধু তাই নয়-টিলা কাটতে গিয়ে অন্তত ২০টি মাদার ট্রি গর্জন রাতের আঁধারে সরিয়ে নিয়েছে। নিধনের অপেক্ষায় রয়েছে আরও অন্তত এক ডজন মাদার ট্রি গজন। মহাসড়কের পাশে খুটাখালীর গর্জনতলির নতুন মসজিদ সংলগ্ন ন্যাশনাল পার্কের সংরক্ষিত বনাঞ্চলে পাহাড় এবং মাদার ট্রি গর্জন সাবাড়ের মহোৎসব চলছে। ইতোমধ্যে দিনে-রাতে ঠেলা গাড়ি ও ডাম্পার লাগিয়ে দিয়ে প্রায় এক একর পাহাড়-টিলা কেটে সমতল ভূমিতে পরিণত করেছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন-খুটাখালীর পূর্ব পাড়ার ডা. মোহাম্মদ হোছনের পুত্র শাহজাহান ক্ষমতাসীন দলের নাম ভাঙ্গিয়ে পরিবেশ বিধ্বংসী এই অনৈতিক কর্মকান্ডে লিপ্ত রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে-ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে বনবিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্তা ব্যক্তিদের ম্যানেজ করে পাহাড় খেকো শাহজাহান প্রায় দু’মাস ধরে প্রকাশ্যে লেবার লাগিয়ে দিয়ে বনবিভাগের জায়গা দখলে দিচ্ছে।
সরেজমিন ঘুরে এসে এবং স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, ন্যাশনাল পার্কের জায়গাটি ইতোপূর্বে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে দখলে নেয় শাহজাহান। পরবর্তীতে বনবিভাগের ভূমি নয় এটি প্রমাণ করতে এই অসাধু পাহাড়-টিলা-মাদার ট্রি ধ্বংস করে সমতল জমিতে রূপান্তর করে। শাহজাহান নিজের অপকর্ম ঢাকতে আশ্রয় পলিথিনের অস্থায়ী বেড়ার। কিন্তু কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কস্থ লাল পাহাড়ের মাটি ও মৃত মাদার গর্জন ট্রি’র ভয়াবহতা লুকাতে পারেনি।
সূত্র জানায়-বালু মহালের ইজারাদার, প্রভাবশালী শাহজাহান বালুর ব্যবসা নিষ্কন্ঠক করতে সরকারী পাহাড় কেটে তাতে বালু মহালে প্রমাণ করতে বর্তমানে সচেষ্ট রয়েছে। এরই মধ্যে কাটা পাহাড়-টিলার পাশে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়া অবৈধভাবে উত্তোলিত শত শত ট্রাক বালু ফেলেছে।
এদিকে সচেতন মহলের অভিমত দিন দুপুরে শাহজাহান সংরক্ষিত বনাঞ্চলের উপর দখলদারিত্ব ও পরিবেশ বিধ্বংসী কর্মকান্ড চালালেও রহস্যজনক কারণে বনবিভাগের কর্তা ব্যক্তি ও পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা নাকে তেল দিয়ে ঘুমাচ্ছে।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"



You must be logged in to post a comment.