সাম্প্রতিক....
Home / প্রচ্ছদ / সাম্প্রতিক... / চকরিয়ায় পৌরশহর থেকে দুই শতাধিক ভাসমান দোকান উচ্ছেদ

চকরিয়ায় পৌরশহর থেকে দুই শতাধিক ভাসমান দোকান উচ্ছেদ

মুকুল কান্তি দাশ; চকরিয়া :

কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চকরিয়া পৌরশহর এখন পরিচ্ছন্ন। ত্রি-লেইন সড়কের এওয়ে দুটি সড়কের যত্রতত্র পার্কিং করা বিভিন্ন যানবাহন সরানোর পাশাপাশি দুই শতাধিক ভাসমান দোকান উচ্ছেদ করায় এই পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ফিরে আসে। এতে পথচারী ও কক্সবাজারমূখী পর্যটকরা যানজট থেকে মুক্তি পাওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেন। আপমর জনতা এই দৃশ্য দেখে বলেন, প্রশাসন চাইলে সব কিছুই সম্ভব।

বুধবার সকাল ৮ টা থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ সাহেদুল ইসলামের নেতৃত্বে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। এসময় সাথে ছিলেন পৌরসভার সচিব মাসউদ মোরশেদ ও চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জহিরুল ইসলাম খান, চকরিয়া পৌরসভার কাউন্সিলর মুজিবুল হক মুজিব, কাউন্সিলর মকছুদুল হক মধু।

উপজেলা প্রশাসন ও পৌরসভা কর্তৃপক্ষ জানায়, চকরিয়া পৌরসভার সোসাইটি এলাকায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পশ্চিমপাশে ফুটপাত দখল করে দুই শতাধিক ভাসমান দোকান বসিয়ে ব্যবসা করে আসছিল কিছু ব্যক্তি। পাশাপাশি সড়কের উপরে রিক্সা, টমটম, সিএনজি অটোরিক্সা, ছাড়পোকা, জীপসহ বিভিন্ন গাড়ি এলোপাতাড়ি পার্কিং করে রাখে। একারণে পৌরশহরে নিত্য যানজট লেগে থাকতো। দুর্ভোগ পোহাতে হতে শিক্ষার্থী, জনসাধারণ ও কক্সবাজার যাতায়তকারী পর্যটকসহ যাত্রীদের।

মাস্টার পাড়া এলাকার বাসিন্দা মো. আবু ইউসুফ বলেন, ভাসমান ব্যাবসায়ীদের উচ্ছেদ করার ফলে স্বতস্ফুর্তভাবে সাধারণ মানুষ চলাচল করতে সক্ষম হচ্ছে। এতে সম্ভাবনাময় শিক্ষার্থীদের জন্যও বিষয়টি ইতিবাচক হিসেবে কাজ করছে। এছাড়াও এতে নিত্যকার দুর্ঘটনার হাত থেকে মানুষ রক্ষা পাবে।

তবে ফল বিক্রেতা হকার মিজান উদ্দীন (৪০) বলেন, স্বল্প পুঁজিতেও ফুটপাতে বসে ব্যবসা করা যায়। আর এতে সংসারে ভরন-পোষণও চলে ভালমতো। মনের আনন্দে পারিবারিক চাহিদা মিঠানো যায়। এদিকে তিনি স্বল্প পুজিঁ ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ব্যবসার জন্য সরকারীভাবে নির্দিষ্ট জায়গা এবং সরকারী সাহায্যের দাবি জানান।

জানতে চাইলে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সাহেদুল ইসলাম বলেন, আইনশৃঙ্খলা ও সমন্বয় সভায় ৩০ নভেম্বরের মধ্যে পৌরশহরের সড়ক থেকে সবধরণের দোকানপাট উচ্ছেদ ও অবৈধ পার্কিং সরানোর সিদ্ধান্ত হয়। তারই আলোকে গতকাল উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে। এতে দুই শতাধিক ভাসমান দোকান উচ্ছেদ করা হয়।

তিনি আরো বলেন, সড়কে অবৈধ পার্কিং ও ভাসমান দোকান যাতে ভবিষ্যতে বসতে না পারে সেলক্ষ্যে পৌরসভার পক্ষ থেকে ১২ সদস্যের একটি স্পেশাল টিম সর্বাক্ষণিক নিয়োজিত করা হয়েছে। উপজেলা ও পুলিশ প্রশাসন নিয়মিত মনিটরিং করবে।

Share

Leave a Reply

x

Check Also

কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে মহান বিজয় দিবস উদযাপিত

—V প্রেস বিজ্ঞপ্তি :কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় বিজয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। দিবসের ...

Portrait of a professional, showcasing contact details and role information.