কক্সবাজারের আট উপজেলার মধ্যে তিন উপজেলা চকরিয়া-পেকুয়া ও কুতুবদিয়া। এই তিনটি উপজেলার যোগাযোগ মাধ্যম বানিয়ারছড়া-মগনামা সড়ক। বরইতলী রাস্তার মাথা থেকে বিকল্প সড়ক হলেও গুরুত্ব হারায়নি পুরনো সড়কটি। কিন্তু হারবাং ছড়ার উপর ১৯৮৫ সালে নির্মিত বেইলী ব্রীজটি মেরামতের অভাবে পাটাতন নড়বড়ে হয়ে যাওয়ায় ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে যাত্রী ও পথচারীদের। তাই পুরনো বেইলী ব্রীজটির পরিবর্তে পাকা সেতু নির্মাণের দাবী জোরালো হয়ে উঠছে দু’লক্ষাধিক মানুষের মাঝে।
সরজমিন ঘুরে দেখা গেছে, বিকল্প সড়ক হলেও হারবাং ছড়ার বেইলী ব্রীজ দিয়ে অসংখ্য ছোটবড় যানবাহন চলাচল করছে। বিশেষ করে তিন চাকার গাড়িগুলো অধিক চলছে এই ব্রীজ দিয়ে। কিন্তু ব্রীজের কয়েকটি পাটাতন গাড়ি উঠলেই উঠানামা করে। এতে আটকে যায় চাকা। ফলে যাত্রীদের নামিয়ে দিয়ে গাড়ি পার করতে বাধ্য হয় চালকরা। এমনকি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময়ও পথচারীরা পাটাতনে পা আটকে আহত হচ্ছে।
সিএনজি অটোরিক্সা চালক আলমগীর বলেন, মহাসড়কে ত্রিযান চলাচলে নিষেধাজ্ঞাসহ দূরত্বগত কারণে আমরা নতুন সড়ক দিয়ে না গিয়ে আমরা যাত্রী আনা-নেয়া করি বানিয়ারছড়া হয়ে। কিন্তু হারবাং ছড়াখালের বেইলী ব্রীজ দিয়ে গাড়ি পারাপার করার সময় প্রায়শই চাকা পাম্পচার হয়ে যায়। মাঝে মধ্যে ঘটে দুর্ঘটনা। এরপরও জীবন ঝুঁকি নিয়ে এই ব্রীজ দিয়েই প্রতিদিন চলাচল করতে হচ্ছে আমাদের।
বরইতলী ইউপি চেয়ারম্যান এটিএম জিয়া উদ্দিন চৌধুরী জিয়া বলেন, বিকল্প সড়ক হলেও পুরনো সড়কের হারবাং ছড়া বেইলী ব্রীজ দিয়ে এখনও অসংখ্য মানুষ প্রতিদিন যাতায়াত করে। বিশেষ করে চকরিয়ার বরইতলী, কৈয়ারবিল, পূর্ব বড় ভেওলা, বিএমচরসহ আশপাশ এলাকার দু’লক্ষাধিক মানুষের যাতায়াত পথ বানিয়ারছড়া সড়কটি।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"



You must be logged in to post a comment.