অনলাইন ডেস্ক :
চৈত্র সংক্রান্তি বা চৈত্র মাসের শেষদিন আজ (১৩ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার)। দিনের সূর্য অস্তমিত হওয়ার মধ্য দিয়ে বর্ষপঞ্জি থেকে বিদায় নেবে ১৪২৯ বঙ্গাব্দ। বর্ষবিদায় নেয়ার এ দিনটিকেই বলা হয় চৈত্র সংক্রান্তি। পরদিন শুক্রবার পহেলা বৈশাখ-নববর্ষ ১৪৩০ বঙ্গাব্দের প্রথম দিন।
আবহমান বাংলার চিরায়ত বিভিন্ন ঐতিহ্যকে ধারণ করে আসছে এ চৈত্র সংক্রান্তি। বছরের শেষ দিন হিসেবে পুরাতনকে বিদায় ও নতুন বর্ষকে বরণ করার জন্য প্রতি বছর চৈত্র সংক্রান্তিকে ঘিরে থাকে বিভিন্ন উৎসব-অনুষ্ঠানের আয়োজন। মনে করা হয়, চৈত্র সংক্রান্তিকে অনুসরণ করেই পহেলা বৈশাখ উদযাপনের এত আয়োজন। তাই চৈত্র সংক্রান্তি হচ্ছে বাঙালির আরেক বড় উৎসব।
চৈত্র সংক্রান্তির মাধ্যমে পুরনো বছরকে বিদায় জানিয়ে শুক্রবার সফলতা ও সমৃদ্ধির প্রত্যাশায় দেখা দেবে নতুন ভোর।
সনাতন ধর্মাবলম্বীরা বাংলা বছরের শেষ এ দিনটিকে পুণ্য দিন বলে মনে করেন। স্নান, দান, ব্রত ও উপবাসের মধ্যদিয়ে অন্যরকমভাবে দিনটি পালন করেন তারা।
বছর বিদায়ের উৎসব পালন করেন ব্যবসায়ীরাও। শুচি-শুদ্ধ হয়ে তারা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানও নতুন করে সাজিয়ে তোলেন। আগের পুরনো সব জঞ্জাল পরিষ্কার করেন, প্রস্তুতি নেন পুরনো সব হিসাব চুকিয়ে নতুন হালখাতা খোলার। নতুন বছরের প্রথম দিনে খোলা হয় এ হালখাতা।
দেশের বিভিন্ন স্থানে চৈত্র সংক্রান্তির মেলা উপলক্ষে গৃহস্থরা মেয়ের জামাইকে দাওয়াত করে বাড়িতেও নিয়ে আসেন। নতুন পোশাক পরার রীতি তো বহু আগে থেকেই!
পুরাতন জীর্ণতাকে বিদায়ের আয়োজন থাকে চৈত্র সংক্রান্তিতে। পরদিন সকালে পূব আকাশে উদিত সূর্যের কিরণ নতুন স্বপ্ন-আশায় রাঙিয়ে দেবে বাঙালির মন। নতুন সম্ভাবনাকে হাতের মুঠোয় আনার সংকল্প বাস্তবায়নে যাত্রা শুরু করবে গোটা জাতি।
পুরনো বছরের সব জরাজীর্ণতা মুছে ফেলে কাল (শুক্রবার) বাঙালি মিলিত হবে পহেলা বৈশাখের সার্বজনীন উৎসবে। এদিন জরাজীর্ণতা, ক্লেশ ও বেদনার সব কিছুকে বিদায় জানানোর পাশাপাশি সব অন্ধকারকে সরিয়ে আলোর পথে এগিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার থাকবে গোটা জাতির।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.