
ভারতের জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে (জেএনইউ) হামলার ঘটনায় দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলছে। রোববার সন্ধ্যায় মুখোশ পরে বেশ কয়েকজন ওই হামলা চালিয়েছে। বেতন বৃদ্ধিসহ একাধিক নীতির বিরুদ্ধে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে জেএনইউর শিক্ষার্থীরা। রোববারের ওই হামলার কয়েক ঘণ্টা পর থেকেই সারাদেশের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভে অংশ নিতে শুরু করেন।
বিক্ষোভকারীদের দাবি, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে দমিয়ে রাখতেই এই হামলা চালানো হয়েছে। রোববার মধ্যরাত থেকেই মুম্বাইয়ের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ শুরু করেন। সে সময় শিক্ষার্থীরা কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের কঠোর শাস্তির দাবি জানায়।
এই হামলার জন্য আরএসএস-এর সঙ্গে সম্পৃক্ত ছাত্র ইউনিয়ন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী প্রসাদকে দায়ী করেছেন শিক্ষার্থীরা। এই সংগঠনের লোকজনই রোববার সন্ধ্যায় হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তাদের বিরুদ্ধে স্লোগান দিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা।
অপরদিকে আলিগর মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মোমবাতি হাতে শান্তিপূর্ণ মিছিল করেছে। তারা জেএনইউ-এর শিক্ষার্থীদের প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করেছে। হায়দরাবাদের শিক্ষার্থীরাও বিক্ষোভে অংশ নিয়েছে।
শেষ রাতের দিকে পুনের স্টুডেন্টস অব দ্য ফিল্ম এবং টেলিভিশন ইন্সটিটিউট অব ইন্ডিয়া এবং কলকাতার জাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও বিক্ষোভে অংশ নেন। জামিয়া টিচার্স এসোসিয়েশন (জেটিএ) ওই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।
অপরদিকে, দিল্লির পুলিশ হেড কোয়ার্টারের বাইরে জমা হয়েছেন কয়েকশ মানুষ। হামলাকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশ যথাযথ ব্যবস্থা নিতে পারছে না এমন অভিযোগ এনে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। রোববার জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে ওই হামলার ঘটনায় ছাত্র সংসদের সভানেত্রী ঐশী ঘোষ এবং পাঁচ শিক্ষকসহ ২৪ জন আহত হয়েছেন।
সূত্র: deshebideshe.com – ডেস্ক।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.