সাম্প্রতিক....
Home / প্রচ্ছদ / নির্বাচন সংক্রান্ত / জালালাবাদে চতুর্মুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা : নির্ঘুম প্রচারণায় ব্যস্তমুখর প্রার্থীরা

জালালাবাদে চতুর্মুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা : নির্ঘুম প্রচারণায় ব্যস্তমুখর প্রার্থীরা

Election - Sagor 17-5-16 news 1pic f1

এম আবু হেনা সাগর; ঈদগাঁও :

৪ জুন ষষ্ঠ ধাপে কক্সবাজার সদর উপজেলার ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে জালালাবাদ ইউনিয়নে চতুর্মুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এ নিয়ে প্রার্থীরা নির্ঘুম প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্তমুখর হয়ে পড়েছেন।

জানা যায়, জেলা সদরের গুরুত্ববহ ইউনিয়ন খ্যাত জালালাবাদে এবার আওয়ামীলীগ-বিএনপিসহ সকল প্রার্থীদের মধ্যে চতুর্মুখী নির্বাচনী লড়াই হতে পারে এমন আভাস বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের।

সরেজমিনে মাঠ ঘুরে জানা যায়, ইউনিয়নের আওতাভুক্ত নয়টি ওয়ার্ডে নির্বাচনী আমেজ পুরোদমে শুরু হয়েছে। যে যার যার অবস্থান থেকে ভোটারদের সাথে মত বিনিময়, গণ সংযোগসহ কৌশলাদি চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে ভোটাররা বর্তমান সময়ে কোন প্রার্থীকে নিরাশ করছেন না। এমনকি ৪ হেভিওয়েট প্রার্থী জালালাবাদের প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে হতবঞ্চিত মানুষের কাছে নির্ঘুম প্রচার-প্রচারণায় দিন পার করছে। এছাড়াও স্ব স্ব প্রার্থীরা দলীয় নেতাকর্মী ও আত্মীয়-স্বজনদের সাথে নিয়ে গণসংযোগ, উঠান বৈঠক এবং ভোট আদায়ের লক্ষ্যে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে মরিয়া হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। এমনকি আ’লীগ, বিএনপি মনোনীত ছাড়াও স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও বর্তমানে প্রতীক বিহীন নির্বাচনী মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। আর ক’টা দিন পার হলে প্রতীক বরাদ্দ হবে। সে অপেক্ষায় বসে না থেকে আগেভাগেই এসব প্রার্থীরা নির্বাচনী মাঠ সরগরম করে তুলছেন।

আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক, পরিচ্ছন্ন ছাত্রনেতা ও ক্লিন ইমেজের অধিকারী হিসাবে ইমরুল হাসান রাশেদ অনেকটা নির্বাচনী মাঠে এগিয়ে। অপরদিকে বিএনপি পরিবারের সন্তান উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলহাজ এম. মমতাজুল ইসলামের পুত্র ঈদগাঁও সাংগঠনিক উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলমগীর তাজ জনি ও বিভিন্ন ওয়ার্ডে ভোটযুদ্ধে একধাপ এগিয়ে। সে সাথে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে সাবেক চেয়ারম্যান ফরিদুল আলম ও কম নয়।

এছাড়া ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ জসিম উল্লাহ মিয়াজী ও সাধারণ ভোটারদের রায় নিজের অনুক‚লে আনার লক্ষ্যে প্রাণপন চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন। তবে আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী সেলিম উল্লাহ জিহাদী ও মাঠে জোর প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। আবার মাঠ পর্যায়ের সাধারণ লোকজনের মতে, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচনে জালালাবাদের অভিভাবক যেই হোক না কেন, তাকে সাদরে মেনে নেবে জনগণ।

অন্যদিকে কয়েক বয়োবৃদ্ধের মতে, নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা বলতেই শেষ নেই। তবে আ’লীগ ও বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর মধ্যে নির্বাচনী লড়াই হতে পারে বলে মন্তব্য করেন তারা।

Share

Leave a Reply

x

Check Also

কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে মহান বিজয় দিবস উদযাপিত

—V প্রেস বিজ্ঞপ্তি :কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় বিজয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। দিবসের ...

Portrait of a professional, showcasing contact details and role information.