সাম্প্রতিক....
Home / প্রচ্ছদ / অপরাধ ও আইন / টেকনাফে ডাকাত জহির আটক : অস্ত্র, গুলি ও ইয়াবা উদ্ধার

টেকনাফে ডাকাত জহির আটক : অস্ত্র, গুলি ও ইয়াবা উদ্ধার

গিয়াস উদ্দিন ভূলু; টেকনাফ :
সীমান্ত এলাকা টেকনাফ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বসতি স্থাপন করা অসাধু রোহিঙ্গা চক্রের অপরাধের মাত্রা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাদেরকে নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য নির্ঘুম দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে টেকনাফ প্রশাসনের বিভিন্ন সংস্থার সদস্যরা। সেই ধারাবাহিকতার অংশ হিসাবে টেকনাফ নয়াপাড়া শরণার্থী ক্যাম্প এলাকায় পুলিশ,বিজিবি ও আনসার সদস্যরা যৌথ অভিযান পরিচালনা করে শীর্ষ রোহিঙ্গা ডাকাত জহিরকে আটক আটক করতে সক্ষম হয়েছে। এরপর টেকনাফ থানার ওসি রনজিত বড়ুয়ার নির্দেশনায় থানা পুলিশের একটি দল আটককৃত ডাকাত জহিরকে নিয়ে ভোর রাত ২টার দিকে উক্ত ক্যাম্পে পুনরায় অভিযান পরিচালনা করে। অবশেষে তার তথ্য অনুযায়ী দেশীয় তৈরী ২টি অস্ত্র, ৪টি গুলি ও ৭ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

তথ্য সূত্রে আরো জানা যায়, ১২ সেপ্টেম্বর সন্ধা ৬টার দিকে এই দূর্ধর্ষ ডাকাত জহিরকে আটক করা হয়। এরপর ১৩ সেপ্টেম্বর ভোর রাতে ধৃত ডাকাত জহিরকে নিয়ে ডাকাত দলের আস্তানায় অভিযান পরিচালনা করে, অস্ত্র, গুলি ও ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

এই অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করে ওসি রনজিত বড়ুয়া আরো জানান, নয়াপাড়া ক্যাম্প পুলিশের সহায়তায় আটক দূর্ধর্ষ ডাকাত জহিরের স্বীকারোক্তিতে অস্ত্র, বুলেট ও ইয়াবা উদ্ধার করতে আমরা সক্ষম হয়েছি। এই ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পর ধৃত ডাকাতকে আদালতে প্রেরণ করার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান ওসি।

এদিকে গত কয়েক বছর ধরে টেকনাফ উপজেলায় মাদকপাচার, অপহরণ ও মানুষ হত্যাসহ যে সমস্ত অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। সেই সমস্ত অপরাধের সাথে সক্রিয় ভাবে জড়িত রয়েছে অসাধু রোহিঙ্গারা। বেশী টাকার লোভে পড়ে এই রোহিঙ্গারা অত্র এলাকায় এমন কোন অপরাধ নেই যেখানে তারা জড়িত নেই।

এব্যাপারে সুশীল সমাজের ব্যক্তিরা অভিমত ও দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, যে ভাবে দিনের পর দিন রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা ডাকাতী মানুষ হত্যা, মাদক পাচারসহ নানা অপরাধ সংঘটিত করে অত্র উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা অবনতি করছে। যৌথ সাঁড়াশী অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে আইনের আওতাই নিয়ে না আসলে।

টেকনাফ উপজেলার সাধারণ মানুষ রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের আগ্রাসন থেকে রেহাই পাবেনা। বর্তমানে ক্যাম্পে বসবাসরত রোহিঙ্গাদের কোন নিয়ন্ত্রণ নেই।

দায়িত্বে থাকা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা শত চেষ্টা করেও তাদেরকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারছে না। তারা স্থানীয় প্রশাসনের চোঁখ ফাঁকি দিয়ে ভিন্ন ভিন্ন কৌশলে ক্যাম্প থেকে বের হয়ে যার যেখানে খুশি সেখানে চলে যাচ্ছে। এক কথায় টেকনাফ উপজেলার শ্রমবাজার গুলোও এখন চলে গেছে রোহিঙ্গাদের দখলে। রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার পাশাপাশি ক্যাম্পে থাকা রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োগ করে নিয়ন্ত্রণে রাখার দাবী জানান এলাকাবাসী।

Share

Leave a Reply

x

Check Also

ইসলামপুরে তুচ্ছ ঘটনায় যুবককে ছুরিকাঘাত

  নিজস্ব প্রতিনিধি; ঈদগাঁও : কক্সবাজার জেলার ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামপুরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নুর ...

Portrait of a professional, showcasing contact details and role information.