
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চায়নার আগেই দক্ষিণ কোরিয়ায় চালু হলো পঞ্চম প্রজন্মের ফাইভ-জি নেটওয়ার্ক। ১ ডিসেম্বর থেকে দেশটির শীর্ষ স্থানীয় তিনটি টেলিকমিউনিকেশন সার্ভিস প্রোভাইডার এসকে টেলিকম, কেটি ও এলজি ইউপ্লাস বাণিজ্যিকভাবে ক্যারিয়ারের মাধ্যমে ফাইভ-জি সিগন্যাল পাঠাতে শুরু করেছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধান ছয়টি শহর বুশান, ইঞ্চিও, ডাইগু, দেয়েজন, উদসান এবং গওয়ানজুতে এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
আপাতত শুধু দক্ষিণ কোরিয়ার এই কয়েকটি শহরে টেলিকমিউনিকেশন সার্ভিস প্রোভাইডাররা তাদের নিজস্ব মোবাইল রাউটার দ্বারা ফাইভজি সেবা চালু করেছে। তবে দক্ষিণ কোরিয়ার এই শীর্ষ স্থানীয় ক্যারিয়ার প্রতিষ্ঠানগুলো জানিয়েছে, আগামী বছরের মার্চ মাসের মধ্যেই পুরো দেশজুড়ে সাত হাজারের বেশি ফাইভ-জি নেটওয়ার্ক স্টেশন স্থাপন করতে সক্ষম হবে।
এসকে টেলিকম, কেটি ও এলজি ইউপ্লাস কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, ২০১৯ সালের মাঝামাঝিতে দক্ষিণ কোরিয়ায় ফাইভ-জি স্মার্টফোন ও ফাইভজি নেটওয়ার্ক ব্যবহারকারী ক্রমাগত বাড়বে।
দক্ষিণ কোরিয়ার এই টেলিকমিউনিকেশন সার্ভিস প্রোভাইডাররা নিশ্চিত করছে যে, চতুর্থ প্রজন্মের ফোর-জি নেটওয়ার্কের তুলনায় অন্তত ১০ গুণ দ্রুত গতিসম্পন্ন হবে বর্তমান ও ভবিষ্যতের ফাইভ-জি নেটওয়ার্ক টেকনোলজি। তারা আরও জানিয়েছে, দক্ষিণ কোরিয়ার ফাইভ-জি নেটওয়ার্কের ন্যূনতম গতিসীমা হবে ২০ এমবিপিএস (মেগাবাইট পার সেকেন্ড)।
২০১৮ সালে শুধু দক্ষিণ কোরিয়াতেই পঞ্চম প্রজন্মের ফাইভ-জি নেটওয়ার্ক চালু হলেও ২০১৯ সালের প্রথমার্ধেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনসহ বিশ্বের আরও কয়েকটি দেশে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে জন-সাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হবে ফাইভ-জি নেটওয়ার্ক।
এছাড়াও আগামী কয়েক বছরের মধ্যে বাংলাদেশেও পঞ্চম প্রজন্মের ফাইভ-জি পরিষেবা চালু হওয়ার কথা রয়েছে।
সূত্র:হাসান মাতব্বর-priyo.com;ডেস্ক।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.