
এম আবুহেনা সাগর; ঈদগাঁও :
কক্সবাজার সদর ঈদগাঁও বাজারের প্রধান যাতায়াতের অসমাপ্ত সড়কের কাজ শুরু হওয়ায় খুশিতে উৎফুল্ল হয়ে পড়েছে পথচারীরা। তেলী পাড়ার মাথা থেকে মাদ্রাসা গেইট পর্যন্ত লোকজন ও যানবাহন চলাচলের সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে মরন ফাঁদে পড়েছিল।
২৪ জানুয়ারী সকাল দশটা থেকে এ সড়কের কাজ শুরু করতে দেখা যায়। এমনকি প্রতিনিয়ত আসা যাওয়াতে এতো কষ্ট সহজেই মেনে নিতে পারছিলনা অসংখ্য পথচারী, যাত্রী, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও চালকরা। এ লঙ্কর-ঝঙ্কর মার্কা সড়কে নানা সসময়ে দুর্ঘটনা ঘটেছিল। অসমাপ্ত সড়কের নির্মাণ কাজ শুরু করায় লোকজনের মাঝে অনেকটা আশার আলো দেখা দিয়েছে।
দেখা যায়, গেল বছর ঈদগাঁও বাসষ্টেশন হয়ে ঈদগাঁও বাজারের প্রধান সড়কের ইউনিয়ন ভূমি অফিস পর্যন্ত এসে রাস্তার কাজ থমকে দাঁড়িয়ে যায়। সে থেকে বঙ্গিম বাজার পর্যন্ত সামান্যতম সড়কটি দিয়ে যাতায়াত অযোগ্য হয়ে পড়েছিল। শুল্ক মৌসুমে সড়কটির করুন দশায় পতিত আর বর্ষা মৌসুমে কদর্মাক্ত যুক্ত পানি পেরিয়ে যান ও জন চলাচল করে দূর্বিসহ অবস্থায়।
এদিকে ঈদগাঁও বাজার, ছৌফলদন্ডী হয়ে সরাসরি ককসবাজার প্রতিনিয়ত হরেক রকম কাজেকর্মে মানুষজন আসা যাওয়া করে থাকে। কিন্তু সত্যজনক হলেও দু:খ যে, জেলা সদরের এমন একটি ব্যস্তবহুল বাজার ঈদগাঁওর কিছু অংশ সড়কের কাজ অসমাপ্ত থাকার দরুন দীর্ঘকাল ধরে চলাফেরায় তার মাশুল গুণতে হচ্ছে বৃহত্তর এলাকার ছৌফলদন্ডীর মিয়া বাজার, কালুফকির পাড়া, নতুন মহাল, শুক্কুরের দোকান, চারাবট গাছ তলা, পালাকাটা, বশিরের দোকান এবং ঈদগাওর বৃহত্তর মাইজ পাড়া, বঙ্গিম বাজার, জাগির পাড়া ও জালালাবাদের ফরাজী পাড়া, লরাবাগ, রাবার ড্যাম এলাকা, চরপাড়াসহ প্রত্যান্ত গ্রামাঞ্চলের হাজার হাজার অসহায় নারী পুরুষদেরকে। সে সাথে অনেকাংশে এ সড়ক দিয়ে পোকখালীর লোকজন ও আসা যাওয়া করে থাকে নানা কাজকর্মে।
এছাড়াও এ অযোগ্য রাস্তা দিয়ে ঈদগাঁও মাইজপাড়া, ফরাজী পাড়া, ছৌফলদন্ডী সড়কের অসংখ্য টমটম, অটোরিকসা, ছারপোকা, সিএনজি, রিকসা দৈনিক চলাচল করে থাকে। আবার চট্টগ্রাম থেকে মালবাহী বড় বড় ট্রাক এ বাজারে আসে নানান ধরনের খাদ্যদ্রব্য নিয়ে।
অন্যদিকে প্রতিদিন ঈদগাহ ফরিদ আহমদ ডিগ্রী কলেজ, ঈদগাহ আলমাছিয়া ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসা,ঈদগাহ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, ঈদগাহ আদর্শ শিক্ষা নিকেতনসহ হরেক রকমের কিন্ডার গার্ডেনে বহু শিক্ষার্থী অতীব কষ্টের বিনিময়ে আসা যাওয়া করে থাকে। তাদের দূর্ভোগ আর দূর্গতি যেন পিছু ছাড়ছিল না। তবে কয়েকজন শিক্ষার্থীরা জানান, শিক্ষাঙ্গনে যাতাযাতে দীর্ঘকাল ধরে পাওয়া দু:খ আর কষ্ট এবার মুছতে যাচ্ছে।
অন্যদিকে যানবাহন চালক জানান, ভাড়ায় চালিত যানবাহন নিয়ে ভাড়া মারতে গিয়ে নানান সমস্যায় ভোগছিলাম। এখন পরিত্রাণ পাব আশা করি। আরো জানা যায়, কক্সবাজারের সিংহভাগ আয়ের উৎস সরকারের কোষাগারে জমা হচ্ছে বৃহত্তর ঈদগাঁও থেকে। দীর্ঘমাস পর হলেও চলাচলের এ অসমাপ্ত সড়কটির কাজ করায় উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষের প্রতি সাধুবাদ জানান ঈদগাঁও বাজারবাসী।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.