ধারাবাহিক প্রতিবেদক – ৩

এম আবুহেনা সাগর; ঈদগাঁও :
কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁওতে দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে ঝুকিঁপূর্ণ নাসির কাঠের সাকোটি এখনো সংস্কারে আলোর মুখ দেখেনি। এটি সংস্কার বিহীন অযন্তে অবহেলায় পড়ে আছে। এতে করে হতাশ হয়ে পড়েছেন বৃহৎ এলাকার জনগোষ্ঠি।
প্রাপ্ত তথ্য মতে, এ ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের নির্মিত তক্তার উপর ভর করে দৈনিক শতশত লোকজন নানা কাজেকর্মে আসা যাওয়া করে থাকে। পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা স্ব স্ব শিক্ষাঙ্গনে যাতায়াত করছে অতি কষ্টের বিনিময়ে। এছাড়া এ ব্রীজ দিয়ে ঈদগাঁওর বৃহত্তর মাইজ পাড়ার মানুষ ছাড়াও অন্য এলাকার লোকজন চলাফেরা করে থাকে প্রতিনিয়ত।
যানবাহন নিয়ে পারাপারতো দূরের কথা একা পায়ে হেটে যাওয়াও কষ্ট সাধ্য হয়ে পড়েছে। আবার একজন রোগীকে আনা নেওয়ার কাজে মরণদশায় পড়তে হচ্ছে অনেককে। ব্রীজের ওপারের একজন ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করলে তাকে নিয়ে এপারে মহাকষ্টের মধ্যদিয়ে মেহেরঘোনা মসজিদে জানাজার মাঠে আনতে হয়। নইলে দূরবর্তী স্থান দিয়ে যানবাহন করে মৃত ব্যক্তিকে নিয়ে আসতে হয় এমন অবস্থায় পড়ছে এলাকাবাসী। এটি পার হয়ে প্রতিদিন চাকরীজিবী, পেশাজীবি, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ীসহ সাধারন লোকজন কোন না কোন ভাবেই মহাসড়কে আসতে দেখা যাচ্ছে। এমনকি দশ মিনিটের পথ এখন ঘন্টার বেশি সময় ব্যয় হচ্ছে।
এলাকার লোকজনের মতে, দীর্ঘ বছর পূর্বে একটি ছোট্ট ব্রীজ নির্মাণ হয়েছিল, তখনকার সময়ে সেটি বর্ষা মৌসুমে ঢলের পানির তোড়ে ভেঙ্গে যায়। এরপর থেকে এলাকাবাসীর একান্ত সহযোগিতায় কাঠের সাঁকো দিয়ে চলাচল করে যাচ্ছে অসংখ্য নর নারীরা। অথচ গ্রামীণ সড়কে এটি অতীব গুরুত্বপূর্ণ সড়ক।
স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিদের মতে, এটি প্রায় ১২ থেকে ১৫ বছর ধরে অযত্নে অবহেলায় সংস্কারবিহীন রয়েছে। ব্রীজটি নির্মাণের ক্ষেত্রে কোনভাবে আলোর মুখ দেখছেনা এলাকাবাসী।
সাবেক এমইউপি সিরাজুল হক এবং ছাত্রলীগের আহবায়ক জাওয়ান উদ্দিন রায়হানের মতে, চলাচলের সুবিধার্থে এই সাঁকোটি নির্মাণ এখন সময়ের গণদাবীতে পরিণত হয়ে পড়েছে। অন্যথায় প্রতি বর্ষামৌসুমে এটি নিয়ে এলাকাবাসীকে মরণ দশায় ভোগতে হবে। ইউপি চেয়ারম্যান ছৈয়দ আলমের মুঠোফোনে সংযোগ না পাওয়ায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.