বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারীতে শুষ্ক মৌসুমে ফারিখালে বাঁধ নির্মাণ না হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন অন্তত শতাধিক কৃষক পরিবার। অন্যান্য এলাকার খাল গুলোতে বাঁধ নির্মাণ করে চাষিরা কৃষি কাজে লিপ্ত হলে গেলেও রাজঘাট ফারিখালের আওতাভূক্ত কৃষকদের মাঝে হতাশা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
স্থানীয়দের কাছে জানা যায়, প্রতি শুষ্ক মৌসুমে রাজঘাট ফারিখালের উপর বাঁধ নির্মাণের ফলে অন্তত শতাধিক পরিবারের ১০০ একর জমি কৃষির আওতায় আনা সম্ভব হয়। কিন্তু বাঁধ নির্মাণ কমিটি ও চাষীদের মাঝে টাকা নিয়ে বনিবনা না হওয়ায় বাঁধ নির্মাণ হচ্ছে না বলে জানালেন কৃষির সাথে সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তি। তাছাড়া রাজঘাট এলাকার ফারিখাল বাঁধ নির্মাণে সরকারী অনুদানের কথা থাকলেও যথাযথ কর্তৃপক্ষের দায়িত্বের প্রতি অবহেলাই মূল কারণ মনে করছেন তারা। এভাবে দুই ফসলী কৃষি জমি গুলো অনাবাদী থেকে গেলে ভবিষ্যতে এলাকার সাধারন মানুষের কৃষি নির্ভরতা কমে যাবে এবং কৃষকরা বেকার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই সাধারন কৃষকরা ফারিখাল বাঁধ নির্মাণে সরকারের যথাযথ কর্তৃপক্ষের সূ-দৃষ্টি কামনা করেছেন।
স্থানীয় কৃষক হাফেজ রেজাউল করিম, আব্দুর রহমান, ওয়ার্ড মেম্বার নুরুল আজিম, ছৈয়দ আহমদ, সহ একাধিক কৃষক জানান, বিগত মৌসুম গুলোতে সময়মত বাঁধ নির্মাণের ফলে কৃষকরা সেচের মাধ্যমে কৃষিতে লাভবান হয়ে আসলেও চলিত শুষ্ক মৌসুমে বাঁধ কমিটির অবহেলার কারণে বাঁধ নির্মাণ হচ্ছে না। যার কারণে বর্তমানে কৃষি জমি গুলো গো-চারণ ভূমি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। অন্যদিকে বর্গা দেওয়া জমি গুলো নিয়ে আরেক বিপাকে পড়েছেন জমির মালিকরা।
তবে বাঁধ নির্মাণ কমিটির সদস্য সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল হাকিম জানান, জমির মালিকরা পানি খরচের নির্ধারিত টাকা সময় মত পরিশোধ না করায় বাঁধ নির্মাণে বিলম্ব হচ্ছে। পানি খরচের টাকা পরিশোধ করা হলে শীঘ্রই বাঁধ নির্মাণ করা হবে।
বিষয়টি জানতে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ভারপ্রাপ্ত কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মামুন মিয়ার মুঠোফোনে কল করলে ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"



You must be logged in to post a comment.