
গিয়াস উদ্দিন ভুলু; টেকনাফ :
টেকনাফে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের অপরাধ কার্যক্রম দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেই ধারাবাহিকতার সুত্র ধরে হ্নীলা ৯নং ওয়ার্ড নয়াপাড়া রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে গুলি বর্ষণ করে ডাকাতির চেষ্টা করেছে একদল রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী। শনিবার সকালে হ্নীলা ইউনিয়নের নয়াপাড়া রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরের বি-ব্লকে এ ঘটনাটির সুত্রপাত সৃষ্টি হয়। উক্ত ঘটনায় হামলার শিকার হয়, বি-ব্লকের বাসিন্দা দোকানদার আবু বক্কর ও তার ছেলে মোহম্মদ ইউছুপ।
এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছন টেকনাফ নিবন্ধিত নয়াপাড়া রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে পুলিশ চৌকির ইনচার্জ (এসআই) আবু রেদোয়ান। হামলাকারী সন্দেহ দু’জনকে আটক করা হয়েছে। তারা হলেন, আবুল কালাম মাঝি ও আনোয়ার সাদেক। তারা একই শিবিরের ই-ব্লকের ১ নম্বর ঘরের বাসিন্দা। রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরের পুলিশ চৌকির ইনচার্জ (এসআই) আবু রেদোয়ান জানান, ‘শনিবার ভোরে নয়াপাড়া শরণার্থী শিবির বি-ব্লকের বিকাশ মোড়ে গুলির শব্দ শুনে, তার নেতৃত্বে একদল পুলিশ সেখানে যায়। এসময় একদল ডাকাত গুলি করতে করতে পাহাড়ের দিকে পালিয়ে যায়।
স্থানীয়দের সহযোগিতায় দু’জনকে আটক করা হয়। আটককৃতদের থানায় সোর্পদ করা হয়েছে। ডাকাত দলের বাকি সদস্যদের ধরতে পুলিশের যৌথ অভিযান চালানো হচ্ছে। রোহিঙ্গা নেতারা জানান,‘ডাকাতরা গুলি বর্ষণ করে একটি কাপড়ের দোকানে ডাকাতির চেষ্টা চালিয়েছে বলে জানা যায়।তথ্যসুত্রে আরো জানা যায়, সন্ত্রাসীরা দোকানে ঢুকে আবু বক্কর ও তার ছেলে মোহাম্মদ ইউছুপকে ব্যাপক মারধর করে। দোকানের সঙ্গে লাগানো তাদের ঘর থেকে পরিবারের লোকজন চিৎকার শুরু করে এরপর আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে ডাকাতরা পালিয়ে যায়। এসময় তাদের ধাওয়া করে ওই দু’জনকে আটক করে পুলিশের কাছে সোর্পদ করে স্থানীয়রা। তারা ডাকাত দলের সদস্য বলে দাবি করেছেন রোহিঙ্গা নেতারা।
হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘নয়াপাড়া রোহিঙ্গা শিবিরে গুলি বর্ষণ করে ডাকাতির ঘটনার কথা শুনেছি। স্থানীয়রা দুই ডাকাতকে ধরে দিয়েছে।এদিকে অসাধু রোহিঙ্গাদের ডাকাতিসহ নানা অপকর্মের সংগঠিত হচ্ছে। এতে স্থানীয় জনগন দিন কাটাচ্ছে আতংকে।
এ প্রসঙ্গে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রণজিত কুমার বড়ুয়া বলেন, হ্নীলার নয়াপাড়া নিবন্ধিত রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে ডাকাতরা গুলি চালিয়ে দোকানে ডাকাতির চেষ্টা করে। এরপর পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে দুইজনকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে।
আটককৃতরা পুলিশের হেফাজতে রেখে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। পাশাপাশি অপরাধীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার প্রক্রিয়া চলছে।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.