বিভিন্ন উৎসব ও পর্যটন মৌসুমকে ঘিরে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতসহ বিভিন্ন উপজেলায় দাপিয়ে বেড়ায় হিজড়া বাহিনী। বিভিন্ন দল ও সংগঠনের নামে বিভক্ত হয়ে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত এলাকা থেকে শুরু করে সর্বত্র চাদাঁবাজিতে মেতে উঠে তারা। প্রায় প্রতি সপ্তাহে উখিয়া কোটবাজারের বিভিন্ন বিপনী বিতানেও তারা হুমড়ি খেয়ে চাঁদাবাজিতে নেমে পড়তে দেখা যায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া মনোয়ারুল মোস্তফা সাগর বন্ধুদের নিয়ে বেড়াতে এসেছে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে। সেখান থেকে উখিয়ার ইনানী সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে আসলে সাগরের সাথে দেখা হয় এ প্রতিবেদকের। সাগর জানালেন, কক্সবাজার সমুদ্রে বন্ধুদের নিয়ে চেয়ারে বসে সূর্যাস্তের অপরুপ দৃশ্য দেখছিলাম। এমন সময় তিনজন তরুণী হিজড়া অশ্লীল পোষাকে বিভিন্ন অঙ্গ ভঙ্গিমায় আমাদের সামনে এসে বলে, ভাই তোরা আমাদের একশ টাকা দে। এই তুই দে, তুই বেশি সুন্দর এভাবে বন্ধুদের সামনে এক প্রকার নাজেহাল ও জোর করে একশ টাকা নিয়ে নেয়। যা পর্যটকদের জন্য বিরক্তিকর।
এছাড়া নাচ ও গানের কথা বলে জোর করে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা।ইদানিং তাদের মাত্রাতিরিক্ত অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন পর্যটকসহ সাধারণ মানুষ। তারা বলছেন, হিজড়াদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে অভিযোগ করেও কোন সুফল পাওয়া যাচ্ছে না। পুলিশের সামনে এহেন কর্মকান্ড চালিয়ে গেলেও সেদিকে তাদেও কোনো খেয়ালও নেই। যে কারণে তারা আরো বেপরোয়া হয়ে উঠছে।
জানা গেছে, হিজড়ারা প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে সুকৌশলে হাজার হাজার টাকা আদায় করে।
মাত্রাতিরিক্ত অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে উঠেছেন পুলিশও ভয় পায় হিজড়াদের। কেননা প্রচলিত আইনে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া যায় না।
সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, বাসাবাড়ি থেকে টাকা তোলা হিজড়াদের নতুন কিছু নয়। বছরের পর বছর ধরে হিজড়াদেও টাকা তোলার এ রীতি চলে আসছে। মানুষও সাধ্য মতো তাদের টাকা দিয়ে সহযোগিতা করেন। পাল্টে গেছে তাদের টাকা তোলার ধরণও। আগের দিনের সেই টাকা তোলা এখন চাঁদা আদায়ে পরিণত হয়েছে।তারা ১০-২০টাকার কম দিলে ব্যবসায়ীদের হেনেস্থা করছে। সাজগোজ করে হিজড়ারা মানুষের কাছ থেকে অশ্লিল অঙ্গ-ভঙ্গিমায় টাকা আদায় করছে।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"



You must be logged in to post a comment.