
নিজস্ব প্রতিনিধি :
পাহাড় কাটার দায়ে অভিযুক্ত এক জন প্রতিনিধি ও আওয়ামী লীগ নেতা আত্মসমপর্ণ করে জামিন পেয়েছেন।
কক্সবাজারে পাহাড় কাটা ও পাহাড় কেটে ঘরবাড়ি তৈরীর ইন্ধনের অভিযোগে এক জনপ্রতিনিধি ও আ.লীগ নেতার বিরুদ্ধে পরিবেশ আইনে মামলা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। ওই মামলায় বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় কক্সবাজার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে আত্মসমর্পন করে জামিন নিয়েছে দুই আসামী।
আদালত পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পরিবেশ আইনের একটি মামলায় কক্সবাজার পৌরসভার ১০ নং ওয়ার্ডের কমিশনার ও মোহাজের পাড়ার মৃত জহির উদ্দিনের ছেলে জাবেদ মো. কায়সার এবং একই এলাকার মৃত নুরুল হুদার ছেলে আওয়ামী লীগ নেতা মো. সালাউদ্দিন সেতু জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিমের (সদর) আদালতে আত্মসমর্পন করে। পরে বিচারক তাদের জামিন মঞ্জুর করেন। ওই মামলায় এ দুইজন সহ এজাহার নামীয় ১১ জন আসামী রয়েছে।
পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজার কার্যালয় সূত্রমতে, শহরের মোহাজের পাড়া এলাকায় পাহাড় কাটা ও পাহাড় কেটে বসতবাড়ি তৈরী করে পরিবেশ ও প্রতিবেশ ধ্বংস করার অভিযোগে পৌরসভার ১০ নং ওয়ার্ডের কমিশনার জাবেদ মো. কায়সার ও তাঁর নিকটাত্মীয় সালাউদ্দিনসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ সংশোধনী ২০১০ এর ১৫ (১) ধারায় পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজার কার্যালয়ের সহকারি পরিচালক সরদার শরিফুল ইসলাম বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেন। মামলাটি গত ৫ জুলাই কক্সবাজার সদর মডেল থানায় তালিকাভুক্ত করা হয়। থানা মামলা নং- ২২ এবং জিআর মামলা নং-৬৮৭।
পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজার কার্যালয়ের সহকারি পরিচালক সরদার শরিফুল ইসলাম বলেন-‘মোহাজের পাড়ার পাহাড়টি ধ্বংসের জন্য কমিশনার জাবেদ মো. কায়সার ও সালাউদ্দিন সেতুই দায়ী। দীর্ঘদিন ধরে তারা সরকারি পাহাড়টি মানুষের কাছে বিক্রি করে আসছে। সম্প্রতি ওই পাহাড়ে উচ্ছেদ অভিযানে গেলে তারা সরকারি কাজে বাঁধা দেয়। প্রশাসনের বিরুদ্ধে জনরোষ সৃষ্টি করার চেষ্টা করে।’
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.