
এম আবুহেনা সাগর; ঈদগাঁও :
কক্সবাজার সদর উপজেলার ঈদগাঁও বাজারে প্রায় ৩/৪ হাজার নানান ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এ বাজারটিতে দীর্ঘবছর ধরে নির্বাচিত কোন কমিটিও নেই। এমনকি বিশাল বাজারে সম্প্রতি বৃদ্ধি পেয়েছে চুরি কর্মকান্ড।
কদিনের ব্যবধানে ঈদগাঁও বাজারে একে একে দুটি ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠানে দূর্ধর্ষ চুরির ঘটনায় চরম আতংক বিরাজ করছে ব্যবসায়ীদের মাঝে। প্রায়শ দোকানে কিংবা বাসাবাড়ীতে ঘটে যাচ্ছে চুরির ঘটনা।
এদিকে বৃহৎ বাজারে চুরিসহ নানা অপরাদ অপর্কম ঠেকাতে বিভিন্ন অলি গলি, গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সিসি ক্যামেরা বসানোর সিদ্ধান্ত নেন সদর-রামু আসনের সাংসদ। সিসি ক্যামরা বসানোর পরও চুরি হচ্ছে প্রায়শ। এতে চরম নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছেন ব্যবসায়ীরা।
প্রাপ্ত তথ্য মতে, ঈদগাঁও বাজারের অপরাধ দমনে বিভিন্ন স্থানে সিসি ক্যামেরা বসানো হয়। জনস্বার্থে দেওয়া ক্যামরাগুলো অকেজো হয়ে পড়ে আছে। এছাড়া বিশাল বাজারে পুলিশের টহল না থাকায় হতাশ হয়ে পড়েছে ব্যবসায়ী সমাজ। বাজারের কজন ব্যাক্তিদের মতে, সিসি ক্যামরাগুলো অচল হয়ে বর্তমানে নষ্ট বললেই চলে।
তবে সচেতন মহলের মতে, বৃহৎ এই বাজারে একের পর এক চুরির ঘটনায় তারা উদ্বিগ্ন আর আতংকগ্রস্ত। ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠানে রাত্রীকালে নিরাপত্তা চাই।
অন্যদিকে দীর্ঘবছর ধরে স্থানীয় তদন্ত কেন্দ্রটি ঈদগাঁও বাজারে ছিল। সত্য যে, ইসলামাবাদের ফকিরা বাজার নামক স্থানে তদন্ত কেন্দ্রের নতুন ভবন হওয়ার পর সেখানে চলে যায়। এরপর থেকে ঈদগাঁও বাজারটি চরম নিরাপত্তাহীনতায় পড়েছে। তিন থেকে চার হাজার ব্যবসা প্রতিষ্টানের পাশাপাশি সরকারী বেসরকারী মিলে ৭/৮টির মত ব্যাংক সহ এনজিও-ইন্সুরেন্স কোম্পানী লেনদেন করে যাচ্ছে। আবার বহু স্বর্ণের দোকানও রয়েছে। সব দিক বিবেচনা করে ঈদগাঁও বাজারে নিরাপক্তার স্বার্থে পুলিশী টহল একান্ত জরুরী বলে বলে মনে করেছেন সাধারন ব্যবসায়ীরা।
ব্যবসায়ী হাসান তারেক জানান, বাজারে ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে স্পেশাল পুলিশ দিয়ে টহল জোরদার করা হোক।
ঈদগাঁও ভিলেজ ডক্টরস ফোরামের সদস্য ডা: আবদু সালাম জানিয়েছেন, ঈদগাঁও বাসষ্টেশন ও বাজার এলাকায় দিবারাত্রী বড় ধরনের কোন শব্দ হলেই সাধারণ লোকজন আতংকগ্রস্ত হয়ে পড়ে। ঐ আতংক থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য পুলিশী টহল একান্ত জরুরী বলে মনে করেন তিনি।
তবে পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের নবাগত ইনচার্জ মো:আসাদুজ্জামান কক্সভিউ ডট কম’কে জানান, রাত্রীকালীন সময়ে ঈদগাঁও বাজারে একটি টহল ফাঁড়ির ব্যবস্থা করা হবে।
উল্লেখ্য যে, গেল ১০ দিনের ব্যবধানে ঈদগাঁও বাজারে দুটি দোকানে চুরি সংগঠিত হয়। তৎমধ্য প্রধান সড়কের পূবানী হোটেলের সামনে একটি গ্যাস সিলিন্ডারের দোকান। রাত্রে এই দোকান থেকে চোরের দল নগদ অর্ধ লক্ষাধিক টাকাসহ মালামাল নিয়ে যায়। তারই রেশ কাটতে না কাটতেই মাতবর মার্কেটে আরো একটি ইলেকট্রনিক দোকানে চুরি হয়। চোর এ দোকান থেকে দিন দুপুরে বিকাশের দুটি মোবাইলসহ নগদ টাকা নিয়ে যায়। বাজারে নৈশ প্রহরী থাকা সত্তেও চুরি কর্মকান্ড নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হচ্ছে।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.