
ছবি সংগৃহীত
বিএনপির জনসভা উপলক্ষে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমবেত হয়েছেন নেতাকর্মীরা। সমাবেশে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি, নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার ব্যবস্থাসহ বিএনপির পক্ষ থেকে ৫ দফা দাবি তুলে ধরার কথা রয়েছে। আর জনসভায় প্রধান অতিথি করা হয়েছে বিএনপি চেয়ারপারসন ও কারাবন্দি বেগম খালেদা জিয়াকে।
খালেদা জিয়াকে প্রধান অতিথির কারার বিষয়ে বিএনপি নেতারা জানান, প্রতিকীভাবে বেগম খালেদা জিয়াকে প্রধান অতিথি করা হয়েছে। আর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দবার মোশাররফ হোসেন।
এছাড়াও সভাপতিত্ব করছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
এদিকে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার চেয়ার খালি রেখেই রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপির জনসভা শুরু হয়েছে। রোববার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার পর দলটির সাংস্কৃতিক সংগঠন জাসাস কর্মীদের সম্মিলিত গণসঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে জনসভার কার্যক্রম শুরু হয়।
সকাল থেকেই ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে সভাস্থলে আসতে শুরু করেন তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির পাশাপাশি রাজধানীর আশপাশের জেলা থেকেও আসছেন নেতাকর্মীরা। দুই দফা পেছানোর পর গতকাল বিএনপিকে ২২ শর্তে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশের অনুমতি দেয় পুলিশ। নির্বাচনের আগে সমাবেশের মধ্যদিয়ে আন্দোলন ও নির্বাচন নিয়ে দেশি-বিদেশি সব মহলে বার্তা দিতে চাইছে দলটি।
এছাড়া এ সমাবেশ থেকে তফসিল ঘোষণার আগেই সংসদ ভেঙে দেয়া, বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি, নির্বাচনে সেনা মোতায়েন, ইভিএম ব্যবহার না করাসহ বেশ কয়েকটি দাবি তুলে ধরারও ইঙ্গিত দিয়েছেন বিএনপি নেতারা।
এদিকে, ডিএমপির ১৯ নম্বর শর্ত অনুযায়ী সমাবেশে কোনো ধরনের লাঠি-সোটা/ব্যানার, ফেস্টুন বহনের আড়ালে লাঠি, রড ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও বিএনপির সমর্থকদের লাঠিসোটা নিয়ে আসতে দেখা গেছে।
ডিএমপির দেয়া ৫ নম্বর শর্ত অনুযায়ী সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের অভ্যন্তরে জনসভার কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার কথা বলা হলেও বিএনপির অধিকাংশ সমর্থক উদ্যানের বাইরে ও রমনা পার্কের ভেতরে জড়ো হচ্ছেন। সেখানেও বিচ্ছিন্নভাবে বক্তৃতা দিচ্ছেন। একত্র হয়ে উদ্যানে ঢুকছেন। সোহরাওয়ার্দী থেকে শাহবাগের সড়কে শোডাউন করতে দেখা গেছে।
ডিএমপির দেয়া ১৩ নম্বর শর্তে অনুমোদিত স্থানের বাইরে, রাস্তায় বা ফুটপাতে লোক সমাগম করা যাবে না বলে উল্লেখ করা হয়। তবে বিএনপির সমর্থকরা শাহবাগ, মৎসভবন, ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট, রমনা পার্ক এলাকার সড়ক ও ফুটপাথে অবস্থান নিয়েছেন।
ডিএমপির ১৮ নং শর্ত অনুযায়ী অনুমোদিত সময়ের পূর্বে কিংবা পরে রাস্তায় কোনো অবস্থাতেই সমবেত হওয়া যাবে না ও যান চলাচলে কোনো প্রকার প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যাবে না। ২০ নম্বরে মিছিল করে সমাবেশে আসা যাবে না বলে উল্লেখ করা হলেও সেটিও মানা হচ্ছে না। বিএনপির নেতাকর্মীদের ভিড়ে মৎস্যভবন থেকে শাহবাগে সড়কে কোনো যান চলাচল করছে না। যানজট দেখা গেছে শাহবাগ থেকে মৎস্যভবনের সড়কে।
সূত্র:somoynews.tv;ডেস্ক।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.