সাম্প্রতিক....
Home / প্রচ্ছদ / সাম্প্রতিক... / বৃহত্তর ঈদগাঁওতে গরু চোর সিন্ডিকেট চক্র এখনো অধরা

বৃহত্তর ঈদগাঁওতে গরু চোর সিন্ডিকেট চক্র এখনো অধরা

এম আবু হেনা সাগর; ঈদগাঁও :

বৃহত্তর ঈদগাঁওতে ফের গরু-মহিষ চুরির ঘটনা প্রায়শ বৃদ্ধি পাচ্ছে। অধরা সেই চিহ্নিত চোর সিন্ডিকেট। তবে বৃহত্তর এলাকার সর্বশ্রেণীর পেশার মানুষজনের মাঝে অজানা আতংক বিরাজ করছে।

জানা যায়, ১৪ ফেব্রুয়ারী রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে সংঘবদ্ধ চোরদল এ গরু-মহিষ চুরি করে নিয়ে যায়। মৃত আহমদ মিয়ার পুত্র আয়ুব খানের ২টি গরু, মৃত আমির সুলতানের পুত্র শফিউল্লাহর ২টি গরু, ২টি মহিষ নিয়ে চম্পট দেয় এ চোর সিন্ডিকেট। ঘটনাটি ঘটেছে ঈদগাঁও ইউনিয়নের দক্ষিণ মেহেরঘোনা গ্রামে। ১২ ফেব্রুয়ারী বদরুল আলমের চারটি গরু সহ বৃহত্তর ঈদগাঁওতে প্রায় একাধিকটি গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে। আবার এসব চুরির কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে ম্যাজিক গাড়ি। স্থানীয় প্রসাশনের চোখকে ফাঁকি দিয়ে প্রতিনিয়ত চোর সিন্ডিকেট এসব চুরি কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। তা এখন সচেতন লোকজনের মাঝে নানান প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। গত ৪ ফেব্রুয়ারী ভোর সকালে ঈদগাঁও কালিরছড়ায় গরু চুরি করতে যাওয়া চোরদের হাতে গুলিবিদ্ধ হন গরুর মালিক মৃত আমির হামজার পুত্র ছৈয়দ আলম। ঘটনায় জড়িত চিহ্নিত চোরদের গ্রেফতারের দাবীতে স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের নেতৃত্বে ওয়ার্ড সভাপতি জসিম উদ্দীনের সভাপতিত্বে এক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্টিত হয়। এরপরেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি।

এছাড়া বৃহত্তর ঈদগাঁও তথা ছয় ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রায়শ রাতের বেলায় গরুর চুরির মত হীন ঘটনা ঘটে যাচ্ছে। সম্প্রতি চান্দের ঘোনা দু’বাড়ি থেকে ছয়টি, সাতঘড়িয়া পাড়ার দু’বাড়ি থেকে চারটি, পালাকাটার এক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে কয়েকটি, নতুন মহালের এক বাড়ি থেকে তিনটি, বুলিয়া পাড়া এক বাড়ি থেকে দু’টি, পোকখালী-গোমাতলী থেকে বেশ কয়েকটি গরু সহ প্রায় এক মাসের মধ্যে শতাধিক গরু- মহিষ চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে এলাকার লোকজন সূত্রে প্রকাশ। এসব বিষয়ে যদি প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় লোকজনও সচেতন হয় তাহলে গরু চুরির মত ঘটনা ঠেকানো সম্ভব। এছাড়াও কথিত গরু-মহিষ চোরদল ফিল্ম স্টাইলে গভীর রাতে গরু চুরির ঘটনায় সর্বশ্রেণীপেশার মানুষের মাঝে অজানা আতংক বিরাজ করছে। এলাকার গরুর মালিক সহ সাধারন লোকজন রাতের ঘুম হারাম করে তাদের পালনকৃত গরু-মহিষ পাহারা দিচ্ছে বলেও জানান অনেকে। তাদের দাবী এসব বিষয়ে যদি প্রশাসন কঠোর হন তাহলে চুরির মত কর্মকান্ড অনায়াসে থেকে যাবে। তবে সাধারণ লোকজনের মতে, রাত্রিবেলায় প্রশাসনের তদারকি যদি একটু শক্তিশালী হয় তাহলে চুরির ঘটনা থেকে মুক্তি পাবে এলাকাবাসী।

এব্যাপারে ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ খায়রুজ্জামানের সাথে মুঠোফোনে এ প্রতিনিধির কথা হলে- তিনি এলাকাবাসী ও কমিউনিটি পুলিশের সহায়তায় গরু চোর সহ অপরাধ প্রতিরোধ কল্পে রাত্রিবেলায় বৃহত্তর এলাকায় পাহারা কার্যক্রম চলছে বলে জানান।

Share

Leave a Reply

x

Check Also

কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে মহান বিজয় দিবস উদযাপিত

—V প্রেস বিজ্ঞপ্তি :কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় বিজয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। দিবসের ...

Portrait of a professional, showcasing contact details and role information.