
ময়নাতদন্ত ও ডিএনএ পরীক্ষার আলামত সংগ্রহের জন্য বড়হাটে নিহত তিন ‘জঙ্গির’ লাশ মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে আনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক পলাশ রায়।
১ এপ্রিল শনিবার বিকেল সোয়া ৪টার দিকে একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে লাশ তিনটি হাসপাতালে নেওয়া হয় বলে জানান তিনি।
এর আগে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বিশেষ অস্ত্র ও কৌশল ইউনিটের (সোয়াত) নেতৃত্বে আজ ১ এপ্রিল দুপুর সোয়া ১২টায় বড়হাটে ‘অপারেশন ম্যাক্সিমাস’ এর অভিযান শেষ হয়।
অভিযান শেষ হলেও চতুর্থ দিনের মতো জঙ্গি আস্তানার আশপাশে ১৪৪ ধারা বলবৎ রয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ২৯ মার্চ বুধবার ভোররাত থেকে জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে মৌলভীবাজার পৌরসভার বড়হাট এলাকায় একটি বাড়ি ও খলিলপুর ইউনিয়নের সরকার বাজার এলাকার নাসিরপুর গ্রামের একটি বাড়ি ঘিরে রাখে পুলিশ। ওই সময় পুলিশ জানায়, নাসিরপুরের অভিযান শেষে বড়হাটে অভিযান চালানো হবে। বুধবার সন্ধ্যায় নাসিরপুরের জঙ্গি আস্তানায় সোয়াত টিম অভিযান শুরু করে। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া এবং আলোক স্বল্পতার কারণে রাত ১০টার পর এ অভিযান সকাল পর্যন্ত স্থগিত রাখা হয়। পরে ৩০ মার্চ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার পর ‘অপারেশন হিট ব্যাক’ দ্বিতীয় দফায় শুরু হয়ে সন্ধ্যা নাগাদ শেষ হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে চার শিশু এবং দুই নারীসহ সাতজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নাসিরপুরে অভিযান শেষ হতে সন্ধ্যা হয়ে যাওয়ায় ৩১ মার্চ শুক্রবার সকাল ৯টা ৫২ মিনিটে বড়হাটের জঙ্গি আস্তানায় ‘অপারেশন ম্যাক্সিমাস’ নামে অভিযান শুরু করে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট ও সোয়াত টিম। অভিযান শুরুর পর থেকে থেকে বিস্ফোরণ ও গুলির শব্দ শোনা যায়। অন্ধকার হয়ে যাওয়ায় শুক্রবার সন্ধ্যায় অভিযান স্থগিত ও শনিবার সকালে অভিযান শুরু করার কথা জানান মনিরুল ইসলাম। সেই অনুযায়ী শনিবার সকালে অভিযান শুরু করা হয়।
সূত্র:priyo.com,ডেস্ক।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.