
নিজস্ব প্রতিবেদক; ঈদগাঁও :
কক্সবাজার সদর উপজেলার ভারুয়াখালী ইউনিয়নের বানিয়াপাড়া গ্রামের কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হলো সেখানকার মাটি ও মানুষের প্রিয় ব্যক্তি ‘মাস্টার’কে। সেই মাস্টার হলো- সদরের ভারুয়াখালী ইউনিয়নের বানিয়াপাড়া নিবাসী, বর্তমানে কক্সবাজার শহরের টেকপাড়া জামে মসজিদ রোড নিবাসী, সাবেক অনারারী ম্যাজিষ্ট্রেট, অবিভক্ত চৌফলদন্ডী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ফজলুল করিম (৮৬)। যেখানে চিরনিদ্রায় শুয়ে আছে তাঁর জন্মদাতা মাতা-পিতা। যাকে তাঁর প্রিয় এলাকাবাসী আদর ও সোহাগ করে ‘মাস্টার’ বলে ডাকতো।
দাফনের আগে ফজলুল করিমের দ্বিতীয় নামাজে জানাজা ভারুয়াখালী দারুল উলুম মাদ্রাসা মাঠে একই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মাওলানা আবুল বশরের ইমামতিতে ২৮ জুলাই বেলা দুইটার দিকে অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কায়সারুল হক জুয়েল, ভারুয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান, সাবেক চেয়ারম্যান আবু শামা সওদাগর ও মাওলানা আবুল বশর, ভারুয়াখালী দারুল উলুম মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি নুরুল হুদা, মরহুমের জ্যেষ্ঠ সন্তান সরওয়ার করিম বক্তৃতা করেন।
জানাজার মাঠে শোকার্ত মানুষের উপস্থিতি যেন লক্ষ্যনীয়। একইদিন ফজলুল করিমের প্রথম নামাজে জানাজা সকাল ১০টায় কক্সবাজার শহরের বায়তুশ শরফ কমপ্লেক্স মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। জানাজার আগে মরহুমের কর্মময় জীবনের স্মৃতিচারণ করে বক্তৃতা করেন,কক্সবাজার জেলা বিএনপি’র সভাপতি, সাবেক সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী, সিনিয়র আইনজীবী এডভোকেট মোহাম্মদ নেজামুল হক, পৌর প্রিপ্যারেটরী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম ও মরহুমের জ্যেষ্ঠ সন্তান সরওয়ার করিম। উভয় জানাজায় বক্তারা মরহুম ফজলুল করিমকে একজন জ্ঞানের ভান্ডার উল্লেখ করে বলেন-তাঁর মৃত্যুতে জেলাবাসীর অপূরনীয় ক্ষতি হলো। মরহুম একজন নীতিবান, আর্দশবান ব্যক্তিত্ব হয়ে অত্যন্ত নির্লোভ ও নিরহংকার মানুষ ছিলেন। উভয় জানাজায় রাজনীতিবিদ, শিক্ষক, আইনজীবী, চিকিৎসক, সাধারণ মানুষ, কৃষক, লবণ চাষী, চিংড়ি চাষী সহ বিভিন্ন পেশার মানুষের ঢল নামে।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.