
ভারতের ওড়িশার পর বাংলাদেশের দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ফণী। সবশেষ ব্রিফিং এ আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, শুক্রবার (৩ মে) মধ্যরাতে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১৪০ থেকে ১৫০ কিলোমিটার বেগে খুলনা উপকূল হয়ে ঘূর্ণিঝড় ফণী রাজশাহী ও রংপুর অতিক্রম করতে পারে।
ঘূর্ণিঝড়ের কারণে উপকূলীয় জেলা এবং অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলো স্বাভাবিকের চেয়ে চার-পাঁচ ফুটের বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।
উপকূলবাসীকে রক্ষায় পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এনামুর রহমান। এরই মধ্যে ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৫ জনকে উপকূলীয় এলাকা থেকে আশ্রয়কেন্দ্রে নেয়া হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের সবশেষ বুলেটিনে (৩৬ নম্বর বুলেটিন) জানানো হয়,
উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত প্রবল ঘূর্ণিঝড় ফণী ভারতের উড়িষ্যা উপকূল অতিক্রম শুরু করেছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৭৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৮০ কিলোমিটার, যা দমকা হাওয়া আকারে ২০০ কিলোমিটারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
ফণী আজ সকাল ৯টায় মোংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ৫৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ৫৮০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্র বন্দর থেকে ৭৩০ পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে এবং চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর থেকে ৭৪০ পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল।
মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী,বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ৭ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।
চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরকে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর এবং অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ৬ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে। কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়।
সূত্র:somoynews.tv-ডেস্ক।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.