
এম আবু হেনা সাগর :
৫ই অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস। এমন দিবসে কক্সবাজারের নবসৃষ্ট ঈদগাঁও উপজেলাসহ দেশের সকল শিক্ষকদের প্রতি সম্মান, শ্রদ্ধাও ভালোবাসা জানাচ্ছি।
একজন শিক্ষক আগামী দশকের সময়,সুযোগ ও সমস্যা মোকাবেলা করার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করছে। ফলে শিক্ষকদের দক্ষতা উন্নয়নে জন্য যুগোপযুগী ও বিশ্বমানের প্রশিক্ষণ, সিম্পোজিয়াম ও কর্মশালার ব্যবস্থা করতে হবে। শিক্ষকদের মানন্নোয়ন ব্যতিত শিক্ষা ব্যবস্থার মানন্নোয়ন হবেনা। শিক্ষকের দক্ষতা উন্নয়ন, স্বাধীনতা ও সম্মানের বিষয়ে যত্নশীল হওয়ার মাধ্যমেই আগামীর স্বনির্ভর ও উন্নত বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা সম্ভব।
শিক্ষকদের কাজই হচ্ছে ভবিষ্যতের বিনির্মাণের জন্য কর্মী তৈরি করা। এটি কোন সাধারণ কাজ নয়; এটি নিঃসন্দেহে একটা সৃজনশীল কাজ। কারণ, শিক্ষক ইট-পাথরের মতো কোনো জিনিস নিয়ে কাজ করেন না। কাজ করেন রক্ত-মাংস দিয়ে গড়া শিক্ষার্থীদের নিয়ে, যাদের মধ্যে আছে অসাধারণ একটা মন। আর এ মনের উপর ইতিবাচক প্রভাব বিস্তার করে শিক্ষার্থীকে ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করতে হয়। ভবিষ্যৎ মানেই স্বপ্নের হাতছানি। শিক্ষকরা সংকটে নেতৃত্ব দেন, ভবিষ্যৎ পুনঃনির্মাণ করেন’। শিক্ষকরা হচ্ছেন মানুষ গড়ার কারিগর। বিশ্ব শিক্ষক দিবসে সব শিক্ষককে জানাই আন্তরিক শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।
একজন আদর্শ মানুষ গড়তে শিক্ষকের কোনো বিকল্প নেই। আর শিক্ষকেরা মোমবাতির মতো নিজে পুড়ে অন্যকে শিক্ষার আলো দান করেন। মহান রাব্বুল আলামিন সব শিক্ষকদের দীর্ঘায়ু দান করুক এমনটা কামনা করি। সে সাথে যারা এ সুন্দর পৃথিবী থেকে চিরবিদায় নেন তাদেরকে মহান রাব্বুল আলামীন জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন, আমীন।
উল্লেখ্য যে, শিক্ষা উন্নয়নে শিক্ষকদের অবদান স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য ১৯৯৫ সাল থেকে ইউনে স্কোর মাধ্যমে সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.