
ছবি:সংগৃহীত
বেতন-ভাতা নিয়ে দফায় দফায় আলোচনা চলেছে জাতীয় দলের ক্রিকেটার ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নীতিনির্ধারকদের মধ্যে। যে দাবি জানিয়েছিলেন মাশরাফিরা, ততটা হয়তো পাবেন না। কিন্তু বিসিবির পক্ষ থেকে প্রস্তাবিত বেতন যখন চার লাখ, তখন সন্তুষ্ট জ্যৈষ্ঠ ক্রিকেটাররা।
বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান আকরাম খান অবশ্য এ ব্যাপারে মুখ খুলতে নারাজ। এ নিয়ে প্রশ্নের উত্তর দিলেন কূটনৈতিকতার সঙ্গে। বললেন, ‘বেতন-ভাতা নির্ধারিত হবে বোর্ডের পরবর্তী সভায়। এর আগে কোনো কিছু নিশ্চিত করে বলার উপায় নেই। শুধু এটুকু বলতে পারি, বর্তমান বোর্ড খেলোয়াড়দের স্বার্থ রক্ষার ব্যাপারে খুবই সচেতন। তাই বোর্ড এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না, যা খেলোয়াড়দের স্বার্থবিরোধী হবে।’
শোনা যাচ্ছে, বেতন বৃদ্ধির হারটা হবে ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্স, সিনিয়রিটি ও তিন ফরম্যাটে নিয়মিত হওয়া ক্রিকেটারদের। নিজেদের বেতনের ব্যাপারে সর্বোচ্চ ছয় লাখ আর সর্বনিম্ন তিন লাখের প্রস্তাব এসেছিলো ক্রিকেটারদের পক্ষ থেকে। ততটা বাড়াচ্ছে না বিসিবি। কিন্তু মাশরাফি, সাকিব, তামিম ও মুশফিক তথা এ প্লাস ক্যাটাগরির ক্রিকেটারদের বেতন আড়াই লাখ থেকে হবে চার লাখ। সর্বনিম্ন বেতনও এক লাখের ওপরে। বেতনের পাশাপাশি বাড়ছে ম্যাচ ফিও। টেস্টের পুরনো ফি দুই লাখ থেকে বেড়ে হচ্ছে সাড়ে তিন লাখ। ওয়ানডে আর টি-টোয়েন্টিতে যথাক্রমে দুই ও এক লাখ করার প্রস্তাব গেছে জাতীয় দলের দেখভালের দায়িত্বে থাকা ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির পক্ষ থেকে।
বেতন নিয়ে অভিযোগ নতুন নয়। কিন্তু জিম্বাবুয়ে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, পাকিস্তান কিংবা শ্রীলঙ্কা; এমনকি আফগানিস্তানের ক্রিকেটাররাও যখন বাংলাদেশের চেয়ে বেশি বেতন পায় তখন এ নিয়ে জোরাজুরি না করে উপায় নেই। অবশ্য এরই মধ্যে মাশরাফি-সাকিবরা অন্যান্য দেশের সঙ্গে নিজেদের বেতন বৈষম্যের ব্যাপারটি বিসিবির কাছে অবহিত করেছে।
শ্রীলঙ্কা সফরের সময় বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের কাছেও নিজেদের বেতন বৃদ্ধির ব্যাপারে আবেদন জানায় ক্রিকেটাররা। তিনিও সম্মতি জানিয়েছিলেন। তারপর থেকেই ব্যাপারটা নিয়ে উঠেপড়ে লাগে ক্রিকেটার ও ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটি।
সূত্র:priyo.com,ডেস্ক।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.