
দ্য গ্রেট ওয়াল ছবির পোস্টার। ছবি: সংগৃহীত।
যুক্তরাষ্ট্রের চলচ্চিত্র যুক্তরাষ্ট্রের আগেই মুক্তি পাচ্ছে বাংলাদেশে। বিষয়টা চমক জাগানিয়া বটে। যদিও চমকটা এবারই প্রথম নয়। এর আগেও যুক্তরাষ্ট্রের আগে ছবি মুক্তি দিয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেছিল বাংলাদেশের স্টার সিনেপ্লেক্স। ২০১৩ সালে প্রিন্সেস ডায়নার জীবনী নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র ‘ডায়না’ যুক্তরাষ্ট্রের দুই সপ্তাহ আগে মুক্তি দিয়েছিল তারা। এবারের চমকের নাম ‘দ্য গ্রেট ওয়াল’। চীনের ঐতিহাসিক মহাপ্রাচীর নিয়ে নির্মিত এ ছবি যুক্তরাষ্ট্রে মুক্তি পাবে ১৭ ফেব্রুয়ারি। আর বাংলাদেশের স্টার সিনেপ্লেক্সে ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে ২৭ জানুয়ারি।
চীনের কথা বললেই যে কথাটি মনে আসে তা হলো চীনের মহাপ্রাচীর। শুধুমাত্র চীনের ইতিহাস নয়, মানুষনির্মিত বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্থাপনা এটি। এমনও কথিত আছে, চাঁদ থেকেও নাকি এই স্থাপনা অবলোকন করা যায়। বিশ্বের সপ্তম আশ্চর্যের একটি। বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ হওয়ার পাশাপাশি এটি চীনের জাতীয় প্রতীকও বটে। প্রায় সাড়ে ৫ হাজার মাইল দৈর্ঘ্যের এই বিশাল নির্মাণযজ্ঞ শেষ হতে লেগেছিল প্রায় ১৭শ’ বছর। পুরো বিশ্বের কাছে যা এখনও এক বড় রহস্য। আর সেই অজানা রহস্যের জাল ভেদ করতে এবার চীন-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত হয়েছে চলচ্চিত্র ‘দ্য গ্রেট ওয়াল’।
ঝ্যাং ইমু পরিচালিত এ ছবিটির অন্যতম প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন জনপ্রিয় হলিউড অভিনেতা ম্যাট ডেমন। তবে হাজার বছর আগের চীনা ইতিহাসের পটভূমি নিয়ে নির্মিত ছবিটিতে একজন মার্কিন অভিনেতা অভিনয় করায়, এরইমধ্যে বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে শুরু হয়েছে আলোচনা ও সমালোচনা।
লেজেন্ডারি ইস্টের প্রযোজনায় এবং ইউনিভার্সাল পিকচার্সের পরিবেশনায় প্রায় ১৫ কোটি মার্কিন ডলার ব্যয়ে নির্মিত এ ছবি ঘিরে এরইমধ্যে বেশ আগ্রহ তৈরি হয়েছে দর্শকের মাঝে।
সূত্র:priyo.com,ডেস্ক।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.