কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট রামু আমলী আদালতে মিথ্যা তথ্য দিয়ে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক জব্দকৃত ৪৩ মেট্রিক টন চাল ছাড়িয়ে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। চিহ্নিত কালোবাজারি সাগর রামু আদালতের জেনারেল রেজিষ্ট্রার অফিসের (জিআরও) পুলিশের একটি অংশকে ম্যানেজ করে আদালতে মিথ্যা তথ্য দিয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে এসব চাল ছাড়িয়ে নেয় বলে অভিযোগ উঠেছে। অথচ ওই ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় ৩০ আগষ্ট মোস্তাফিজুর রহমান নামের একজন আসামী আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
পুলিশের কাছেও ধৃত আসামী জব্দকৃত চাল বগুড়া থেকে কক্সবাজার রামু খাদ্য গুদামের জন্য চোরাইপথে আনা হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন। ১৭ আগষ্ট বেলা সাড়ে ১১টা থেকে গাড়ি চালিয়ে ১৯ আগষ্ট সকাল সাড়ে ৯টায় তারা রামু এসে পৌছাঁন। রামু থানায় জব্দকৃত চালের ৪ বস্তা আলামতও সংরক্ষিত রয়েছে। কিন্তু শ্রীমন্ত পাল সাগর জব্দকৃত চাল চট্টগ্রাম থেকে ব্যবসার জন্য ক্রয় করে আনার পথে জব্দ করা হয় উল্লেখ করে ভুয়া কাগজপত্র আদালতে জমা দিয়ে আদালতের সাথে প্রতারণা করে জব্দকৃত চাল ছাড়িয়ে নেন। এসব চাল ট্রাকসহ রামু উপজেলা কমপ্লেক্স থেকে মামলার ৪ জন আসামী চালক ও হেলপাররা নিয়ে যায়। কিন্তু এসব আসামীদের রহস্যজনক কারণে গ্রেফতার করা হয়নি। এ অবস্থায় সরকারী স্বার্থ রক্ষা ও ন্যায় বিচারের স্বার্থে আদালতের জেনারেল রেজিষ্ট্রার অফিসের (জিআরও) পুলিশ, মামলার বাদী সরকারী কর্মকর্তা ও তদন্তকারী কর্মকর্তার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে রামু উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা ও উপজেলা খাদ্য শস্য সংগ্রহ কমিটির সভাপতি মোঃ মাসুদ হোসেন বলেন, ‘একজন নিবার্হী ম্যাজিষ্ট্রেটসহ আমি ৪৩ মেট্রিক টন চালসহ দুটি ট্রাক জব্দ করি। এসময় একটি ট্রাকের চালানও জব্দ করা হয়। একই সাথে ট্রাকের মালিক ও হেলপারদের জবানবন্দিও নেয়া হয়। কিন্তু শ্রীমন্ত পাল নামের একজন এসব চাল চট্টগ্রাম থেকে আনা হয়েছে বলে আদালতে ভুয়া ও মিথ্যা কাগজপত্র জমা দিয়ে জব্দকৃত চাল ছাড়িয়ে নিয়েছে। অথচ এসব চাল আনা হয়েছে বগুড়া ও ময়মনসিংহ থেকে। এ সংক্রান্ত আমাদের সব কাগজপত্র তদন্তকারী কর্মকর্তার মাধ্যমে আদালতে দাখিল করা হবে।’
কিন্তু রামু উপজেলা কমপ্লেক্স থেকে ৪ জন আসামী কিভাবে জব্দকৃত চাল ভর্তি দুটি ট্রাক নিয়ে গেল তা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি খবর পাওয়ার পর দারোয়ানকে তাদের আটকাতে বলেছি। একই সাথে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাকেও তাদের আটকের কথা বলেছি। কিন্তু তারা পালিয়ে যায়।’
সূত্র জানায়, বোরো (আতপ) চাল সংগ্রহ কার্যক্রমের আওতায় কক্সবাজার জেলায় ৮ হাজার ৪৯২ মেট্রিক টন চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। এর মধ্যে কক্সবাজার সদর উপজেলায় ৫৩৩ মেট্রিক টন, চকরিয়ায় ৩৫০ মেট্রিক টন, পেকুয়ায় ৩৫৪ মেট্রিক টন, মহেশখালীতে ২০৯ মেট্রিক টন, রামুতে ৩০৭৬ মেট্রিক টন, উখিয়ায় ৩৪৭২ মেট্রিক টন ও টেকনাফে ৪৯৮ মেট্রিক টন।
এসব চাল সরবরাহের জন্য কক্সবাজার জেলার ২২ জন রাইচ মিল মালিকের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয় কক্সবাজার জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়। ১ আগষ্ট থেকে নির্ধারিত পরিমান চাল সংগ্রহ শুরু হয়। কিন্তু জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোঃ তানভীর হোসেন ও অফিস সহকারী রোকসানার যোগসাজসে সংশ্লিষ্ট উপজেলা খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কক্সবাজারের শীর্ষ কালোবাজারি তাজরেজা ফ্লাওয়ার মিলের ম্যানেজার সাগর-রফিক, শহরের চাউলবাজারের এসবি এন্টারপ্রাইজের বুলবুল ও উখিয়ার আবদুর রহিমের সাথে সিন্ডিকেট করে খাদ্য গুদাম গুলোতে উত্তরাঞ্চল থেকে আনা নিম্নমানের কম দামের চাল মজুদ করা হয়।
এসব বিষয়ে ১০ আগষ্ট স্থানীয় একটি পত্রিকায় ‘রামুতে চার শত মেট্রিক টন নিম্নমানের চাল গুদামে’ শিরোনামে তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশিত হয়। ওই দিনই কক্সবাজার জেলা প্রশাসক ও জেলা খাদ্য শস্য সংগ্রহ কমিটির সভাপতি মোঃআলী হোসেন প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অফিস পরিদর্শন করে সুনির্দিষ্ট সুপারিশসহ সাত কর্মদিবসের মধ্যে বিস্তারিত প্রতিবেদন দেয়ার জন্য রামু উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন। একই সাথে নীতিমালার আলোকে চাল সংগ্রহের নির্দেশনাও দেয়া হয়। কিন্তু জেলা প্রশাসকের নির্দেশনা অমান্য করে দেশের উত্তরাঞ্চল থেকে নিম্নমানের কম দামের চাল খাদ্য গুদামে মজুদ করে লাখ লাখ টাকা লুটপাট অব্যাহত রাখে খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা সুজিত বিহারী সেনের নেতৃত্বে মিল মালিক সিন্ডিকেট। এ অবস্থায় অনিয়ম-দুর্নীতির তথ্য ভিত্তিক ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে আসছিল দেশের জাতীয় ও স্তুানীয় সংবাদ মাধ্যমগুলো।
সর্বশেষ ১৮ আগষ্ট কক্সবাজার জেলা প্রশাসক ও জেলা খাদ্য শস্য সংগ্রহ কমিটির সভাপতি মোঃ আলী হোসেন ঘটনা তদন্তে জেলা প্রশাসনের নিবার্হী ম্যাজিষ্ট্রেট সোহাগ চন্দ্র সাহা ও মতিউর রহমানকে নিয়ে কমিটি গঠন করেন। ১৯ আগষ্ট জেলা প্রশাসকের নির্দেশে নিবার্হী ম্যাজিষ্ট্রেট ও কমিটি প্রধান সোহাগ চন্দ্র সাহা রামু খাদ্য গুদামে অভিযান চালিয়ে ৪৩ মেট্রিক টন চালসহ দুটি ট্রাক জব্দ করে।
সূত্র জানিয়েছে, অভিযান চলাকালে খাদ্য গুদামের পাশে ঢাকা মেট্রো-ট-১৮-৬৬২৭ ও যশোর-ট-১১-২৬৮৮ নাম্বারের চালভর্তি দুটি ট্রাক রেখে যায় চালকরা। পরে চালকদের খোঁজে বের করা হয়। এর মধ্যে একটিতে ২০ মেট্রিক টন ও অপরটিতে ২৩ মেট্রিক টন চাল রয়েছে। ট্রাক দুটি বগুড়া ও ময়মনসিংহ থেকে চাল নিয়ে আসে বলে জানান চালকরা।
নিবার্হী ম্যাজিষ্ট্রেটের কাছে জবানবন্দিতে বগুড়া থেকে আনা ঢাকা মেট্রো-ট-১৮-৬৬২৭ গাড়ির চালক ওবায়দুর রহমান জানান, রামু খাদ্য গুদামের জন্য বগুড়া থেকে ২৩ টন চাল নিয়ে আসা হয়। বিকালে ম্যাজিষ্ট্রেট তা জব্দ করে। ময়মনসিংহ থেকে আসা যশোর-ট-১১-২৬৮৮ নাম্বারের গাড়ির চালক মনিরুল ইসলাম জানান, ২০ টন চাল ময়মনসিংহ থেকে রামু খাদ্য গুদামে নিয়ে আসা হয়। কিন্তু একটি ট্রাক থেকে চাল খালাস হতে দেরি হওয়ায় গাড়ি দু’টি গুদামের বাইরে রাখতে বলা হয়। পরে গুদামের বাইরে থেকে নিবার্হী ম্যাজিষ্ট্রেট চাল ভর্তি গাড়ি জব্দ করে। এসময় নিবার্হী ম্যাজিষ্ট্রেট, সাংবাদিক ও স্থানীয় লোকজনের সামনে ট্রাক থেকে চালের বস্তা নামানো হয়।
চালের বস্তাগুলোতে ‘খাদ্য অধিদপ্তরের জন্য-উদপাদন এপ্রিল/২০১৫, নীট ওজন ৫০ কেজি, ষ্টার আলকায়েদ জুট মিলস লিঃ’ এবং মা-মনি অটো রাইচ মিল, গর্জনিয়া বাজার, রামু, ২০১৫’ নামে সীলমোহরযুক্ত লেখা রয়েছে। ওই সময় ঢাকা মেট্রো-ট-১৮-৬৬২৭ গাড়ির চালক আবিদুরের নামে জব্দকৃত চালের একটি চালানও জব্দ করা হয়। চালানটিতে লেখা রয়েছে, ‘মেসার্স এম.বি. ট্রেডার্স, ডি.বি রোড, গাইবান্ধা। ড্রাইভার-আবিদুল, শাহজাহানপুর বগুড়া, ট্রাক মালিক-মোঃ সাইফুল ইসলাম, শাহজাহানপুর বগুড়া। চালের পরিমান ২৩০০০ কেজি, ট্রাক ভাড়া-৩৭৯৫০ টাকা।’
অভিযান পরিচালনাকারী জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সোহাগ চন্দ্র সাহা জানান, অভিযান চালিয়ে বগুড়া ও ময়মনসিংহ থেকে আসা চাল ভর্তি দুটি ট্রাক জব্দ করা হয়েছে। ট্রাক দুটির চালকদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তারা সব কিছুই স্বীকার করেছেন। এছাড়া চালের বস্তায় খাদ্য বিভাগের নাম ও রামুর গর্জনিয়া এলাকার মা মনি অটো রাইচ মিলের সীল মোহর যুক্ত চিহ্ন পাওয়া গেছে। গাড়ির একটি চালানও জব্দ করা হয়েছে। এসব কাগজপত্র রামু উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তার কাছে জমা দেয়া হয়েছে।
চাল জব্দের ২৪ ঘন্টা পর ২০ আগষ্ট চাল কেলেঙ্কারির ওই ঘটনায় গাড়ির চালক ও হেলপারদের আসামী করে রামু খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুজিত বিহারী সেন বাদী হয়ে রামু থানায় একটি চুরির মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় মা-মনি অটোরাইস মিলের মালিক আবু তাহেরকে আসামী করা হয়নি।
এ ঘটনায় রামু খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুজিত বিহারী সেনকে গ্রেফতার ও অনিয়ম-দুর্নীতি বন্ধের দাবীতে রামু চৌমুহনী চত্তরে মানববন্ধন ও সমাবেশ করে কৃষকরা।
এদিকে পাচারকারী সিন্ডিকেটটি মামলা দায়েরের মাত্র ৫ দিনের মাথায় আদালতে ভুয়া কাগজপত্র জমা দিয়ে আদালতের সাথে প্রতারণা করে জব্দকৃত ৪৩ মেট্রিক টন চাল ছাড়িয়ে নেন। এক্ষেত্রে ওই সিন্ডিকেটটিকে স্বয়ং মামলার বাদী রামু খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা সুজিত বিহারী সেন, রামু আদালতের জেনারেল রেজিষ্ট্রার অফিসের (জিআরও) উপ-পরিদর্শক মিসেস পলি মজুমদার, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ বেশ কয়েকজন মিলে সহায়তা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
অথচ শ্রীমন্ত পাল নামের যে ব্যক্তি জব্দকৃত চাল নিজের বলে দাবী করে কাগজপত্র জমা দেয়া হয়েছে সেই কাগজপত্রেও রয়েছে নানা অসঙ্গতি। কাগজপত্রে চট্টগ্রামের চাকতাইয়ের মের্সাস মুছা এন্টারপ্রাইজ ও খাতুনগঞ্জের মেসার্স শামীম এন্টারপ্রাইজ থেকে ৪৩ মেট্রিক টন চাল ক্রয় করে আনার কথা বলা হলেও এসব প্রতিষ্ঠানের লোকজনের সাথে কথা বলে এর সত্যতা পাওয়া যায়নি।
এছাড়া আদালতে দাখিলকৃত দুটি চালানে গাড়ি ভাড়া উল্লেখ করা হয়েছে যথাক্রমে ৩০ হাজার টাকা ও ৩৭ হাজার ৯৫০ টাকা। অথচ চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার ট্রাক ভাড়া সর্বোচ্চ ১২ হাজার টাকা।
অপরদিকে খাদ্য বিভাগের লাইসেন্সে শ্রীমন্ত পালের ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠানে মাত্র ১৫ মেট্রিক টন চাল রাখার নিয়ম থাকলেও তিনি ৪৩ মেট্রিক টন চাল এনেছেন বলে দাবী করেন। এছাড়া কাগজপত্রে উল্লেখিত স্থানে তার কোন দোকান না থাকা, আদালতে দাখিল করা দুটি চালানে একই হাতের লেখাসহ বিভিন্ন ভাবে শ্রীমন্ত পাল জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সাগর এন্টারপ্রাইজের শ্রীমন্ত পাল এসব চাল চট্টগ্রাম থেকে আনা হয়েছে দাবী করে বলেন, ‘আদালত থেকে চাল জিম্মায় নেয়া হয়েছে।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রামু আদালতের জেনারেল রেজিষ্ট্রার অফিসার (জিআরও) জহির আলম বলেন, ‘এসব বিষয়ে আসলে আমাদের কিছুই করার নেই। ওই দিন এসআই পলি মজুমদার দায়িত্বে ছিলেন।’
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে রামু আদালতের জেনারেল রেজিষ্ট্রার অফিসের (জিআরও) উপ-পরিদর্শক মিসেস পলি মজুমদার বলেন, ‘চালের মালিক দাবী করে তারা কিছু কাগজপত্র জমা দিয়েছেন। এসব কাগজপত্র ভুয়া বা মিথ্যা কিনা তা আমার জানা নেই। আদালত তাদের কাছে চাল জিম্মায় দিয়েছেন।’
মামলার বাদী রামু উপজেলা খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা সুজিত বিহারী সেন এসব বিষয়ে কথা বলতে রাজী হননি।
রামুতে চাল সংগ্রহে অনিয়ম-দুর্নীতি বিরোধী নেতা মুক্তিযোদ্ধা মোজাফ্ফর আহমদ বলেন, ‘সকলের সামনেই ট্রাকের চালক ও হেলপাররা দুটি ট্রাকে করে ৪৩ মেট্রিক টন চাল বগুড়া ও ময়মনসিংহ থেকে আনা হয়েছে বলে জবানবন্দি দিয়েছেন। কিন্তু শ্রীমন্ত পাল সাগর নামের ওই পাচারকারী আদালতে ভুয়া কাগজপত্র জমা দিয়ে আদালতের সাথে প্রতারণা করে চাল ছাড়িয়ে নিয়ে গেছেন।
এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে চাল পাচার করে সরকারের কোটি কোটি টাকা লুটপাটের সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করা না হলে আবারো কৃষকদের সাথে নিয়ে আন্দোলন শুরু করা হবে।’
এসব বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রামু থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ কায় কিসলু বলেন, ‘আদালতে মিথ্যা তথ্য দিয়ে চাল ছাড়িয়ে নেয়া হয়েছে বলে শুনেছি। ঘটনাটির তদন্ত চলছে। তদন্তের স্বার্থে এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে পারছি না।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"



You must be logged in to post a comment.