
বঙ্গভবন। ফাইল ছবি
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল বাতিল চেয়ে একটি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। ৩১ জানুয়ারি বুধবার বেলা ১১টার দিকে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ ডাকযোগে নোটিশটি পাঠান।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি), জাতীয় সংসদের স্পিকার, আইন সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, রাষ্ট্রপতির কার্যাচলয়ের সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব ও নির্বাচন কমিশনের সচিবের কাছে এ নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইউনুছ আলী আকন্দ প্রিয়.কমকে বলেন, ‘২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল মো. আবদুল হামিদ বাংলাদেশের ২০তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। সে হিসেবে চলতি বছরের ২৪ এপ্রিল তার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। সংবিধানের ৫০(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আগামী ২৪ এপ্রিল রাষ্ট্রপতি হিসেবে মো. আবদুল হামিদের পদের মেয়াদ পাঁচ বছর পূর্ণ হবে। জনস্বার্থে সংবিধান রক্ষা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য আমি এ নোটিশটি পাঠিয়েছি।’
তিনি বলেন, ‘সংবিধানের ১২৩(১) অনুচ্ছেদে বলা আছে, যে সংসদ দ্বারা রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন সে সংসদের মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত এবং পরবর্তী নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা যাবে না। নির্বাচন কমিশন আগামী ১৮ এপ্রিল বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনের জন্য তফসিল ঘোষণা করেছেন যা সংবিধানের ৩১, ৫০, ৫৪, ১২৩ অনুচ্ছেদের সাথে সাংঘর্ষিক।’
‘আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নির্বাচন কমিশন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল বাতিল ঘোষণা না করলে হাইকোর্টে রিট আবেদন দাখিল করবেন’, বলেন ইউনুছ আলী আকন্দ।
২৫ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। বাংলাদেশের আইনে এক ব্যক্তি সর্বোচ্চ দুই মেয়াদে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। সংসদীয় গণতন্ত্র চালুর পর ১৯৯১ সালে একাধিক প্রার্থী হওয়ায় একবারই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেন সংসদ সদস্যরা। এরপর প্রতিবারই ক্ষমতাসীন দলের মনোনীত প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে আসছেন। সূত্র:আমিনুল ইসলাম মল্লিক-priyo.com;ডেস্ক।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.