
মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, লামা :
বান্দরবানের লামায় পারিবারিক কলহের জের ধরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ৬জন আহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে ২টায় লামা বাজার মীম ফিলিং স্টেশনে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহত ৫ জন লামা হাসপাতালে ও মোঃ নাহিদ নামের এক জনকে চমেক হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।
আহতরা হল, মোঃ সাহেদ (২৭), দিলারা বেগম (৪০), আব্দুল্লাহ আল মাসুদ (২৭), মোঃ নাহিদ (১৯), মোঃ রাশেদ (১৮) ও মোঃ মাহফুজুল ইসলাম (১৮)।
জানা গেছে, মোঃ সাহেদ লামার গজালিয়া এলাকার মোহাম্মদ পাড়ার জাফর ইসলামের মেয়ে জরিনা বেগমকে বিবাহ করে। কলহের জের ধরে শশুর বাড়ির লোকজন তার ভাড়ায় চালিত মোটর সাইকেলটি আটক করে রাখে। বৃহস্পতিবার সকালে গজালিয়া শশুরবাড়িতে মোটর সাইকেলটি আনতে গেলে তার স্ত্রী জরিনা বেগম ও সালা মাহফুজুল ইসলাম তাকে মারধর করে। সে পালিয়ে লামায় চলে আসে। পরবর্তীতে তার সালা মাহফুজ লামা পৌরসভার মধুঝিরি এলাকার কয়েকজন নিয়ে লামা পৌরসভার চেয়ারম্যান পাড়াস্থ মীম ফিলিং স্টেশনের হামলা চালায়। সাহেদ এর বাবা ড্রাইভার শাহারাজ তাকে বাচাঁতে এগিয়ে আসে। এসময় সংঘর্ষে সাহেদের পক্ষের ২জন, হাতুড়ি ও দায়ের আঘাতে মাহফুজের সঙ্গীয় ৩জন আহত হয়।
লামা পৌরসভার মহিলা কাউন্সিলর জোৎস্না বেগম বলেন, হামলা শেষে আহতদের চিকিৎসার জন্য লামা হাসপাতালে নিয়ে এলে মধুঝিরি ও হাসপাতাল পাড়ার কয়েকজন লোক পুণরায় হামলার চেষ্টা করে এবং হাসপাতালে ভর্তি করতে বাধা দেয়। আমরা নিরুপায় হয়ে লামা থানায় ফোন দিলে লামা থানার পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।
লামা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানায়, আমার ভাই পরিচিত একজনকে নিয়ে যেতে চাইলে তাকে পুলিশ মারধর করে। তবে লামা থানার পুলিশের উপ-পরিদর্শক কৃষ্ণ কুমার দাশ বলেন, হামলা খবর পেয়ে পুলিশের একটি টিম নিয়ে আমরা হাসপাতালে আসি। উশৃঙ্খল ২ জনকে একপাশে দাঁড় করিয়ে রাখি। তখন মাসুদ নামের একজন এসে ধৃতদের ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
লামা সার্কেল এর সহকারী পুলিশ সুপার আব্দু সালাম চৌধুরী ও লামা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং আহতদের দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। খবর পেয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের একটি প্রতিনিধি দলও হাসপাতালে আসেন।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.