
ফাইল ফটো
মুকুল কান্তি দাশ; চকরিয়া :
কক্সবাজার ও বান্দরবানে গরু চুরি নিত্যকার ঘটনা হয়ে উঠেছে। মালিকরা পাহারা দিয়েও থামাতে পারছেনা চুরি। এবার বান্দরবান পার্বত্য জেলা লামা উপজেলার কেয়াজু পাড়ার খামার বাড়ি থেকে চুরি হওয়া ৫টি গরুর মধ্যে ২টি জীবিত ও ২টি মৃত গরু উদ্ধার করা হয়েছে কক্সবাজারের চকরিয়ার উপজেলার পূর্ব বড় ভেওলা থেকে। অপর একটি গরুর হদিস মেলেনি।
সোমবার বিকালে থানার এসআই আব্দুল খালেকের নেতৃত্বে একদল পুলিশ এ অভিযান পরিচালনা করে। এঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বৃদ্ধা পুতুন বিবি (৭০)কে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে। পুলিশ হেফাজতে নেয়া পুতুন বিবি চকরিয়া উপজেলার পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়নের সিকদার পাড়া গ্রামের কাশেম আলী পাড়ার মঞ্জুর আলমের স্ত্রী।
পুলিশ হেফাজতে নেয়া পুতুন বিবি পুলিশের কাছে বলেন, আমার পাড়ার আলী হোসেনের ছেলে আজিজ ও তৈয়ব গোলালের ছেলে নুরুল আবছার তাদের গোয়াল ঘরে গরু রাখার জায়গা নেই অজুহাত দেখিয়ে দুটি গরু আমার বাড়িতে জমা রাখে। এ গরু কোথা থেকে এনেছে আমার জানা নেই।
লামার সরই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলীর ছেলে আলমগীর সিকদার বলেন, কেয়াজু পাড়ায় আমার পারিবারিক গরুর খামার রয়েছে। গত বৃহস্পতিবার ওই খামার থেকে ৫টি গরু চুরি হয়। ব্যাপক খোঁজ করেও গরু গুলো পাচ্ছিলামনা। বিভিন্ন লোক থেকে শোনে চকরিয়ার ইলিশিয়াস্থ লম্বাখালে দুটি মৃত গরু খোঁজে পাই। পরে লোকজন নিয়ে খোঁজ করে জানতে পারি কাশেম আলী পাড়ায় অন্য গরুগুলো রয়েছে। ফলে, চকরিয়া থানা পুলিশের সহায়তা চাই।
চকরিয়া থানার এসআই আব্দুল খালেক বলেন, আলমগীরের কথা অনুযায়ী পূর্ব বড় ভেওলার সিকদার পাড়ায় অভিযান চালায়। এসময় একবৃদ্ধার বাড়ি থেকে দুটি গরু উদ্ধার করি। এসময় জিজ্ঞাসাবাদ করতে ওই বৃদ্ধাকেও থানায় নিয়ে আসি। এলাকার লোকজন ধারনা করছেন, চুরি হওয়া অপর একটি গরু বিক্রয় করা হয়ে থাকতে পারে।
তিনি আরো বলেন, চুরি ঘটনায় আজিজ ও নুরুল আবছারকে আটক করতে পারলে আসল ঘটনা উদঘাটন করা সম্ভব হবে। তাদের আটক করতে অভিযান চলছে।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.