সাম্প্রতিক....
Home / প্রচ্ছদ / অপরাধ ও আইন / সংবাদ সম্মেলনে পরিবারে দাবি প্রতিপক্ষের ইন্ধনে ফাঁসানো হয়েছে ইউনুছকে

সংবাদ সম্মেলনে পরিবারে দাবি প্রতিপক্ষের ইন্ধনে ফাঁসানো হয়েছে ইউনুছকে

পেকুয়ার সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানকে আটক ও অস্ত্র-ইয়াবা উদ্ধার ঘটনায় দুটি মামলা

মুকুল কান্তি দাশ; চকরিয়া :

কক্সবাজারের কলাতলী থেকে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ইউনুছকে আটকের পর পেকুয়ার মগনামাস্থ নিজ বাড়ি থেকে অস্ত্র ও ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় জেলা ডিবি পুলিশের এসআই মহসিন ভুইয়া বাদি হয়ে অস্ত্র ও মাদক আইনে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেছেন। মঙ্গলবার বিকালে পেকুয়া থানায় মামলা দুটি দায়ের করা হয়।

অন্যদিকে, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ইউনুছকে আটক ও বাড়ি থেকে অস্ত্র-ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনা পুরোটাই পরিকল্পিত ও সাজানো নাটক দাবি করেছেন আটক ইউনুছের স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস।

গত সোমবার রাতে পেকুয়ার চৌমুহনীতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, কক্সবাজার থেকে তার স্বামী ইউনুছকে আটক করে ডিবি পুলিশ মগনামার বাড়িতে এসে ঘরের ভিতর কিছু ইয়াবা এবং ঘরের বাইরে পুকুর পাড়ে পাটের বস্তা ভর্তি অস্ত্র রেখে অল্পক্ষণ পর ওই ইয়াবা ও অস্ত্র বাড়ি থেকে পেয়েছে দাবি করে। ওই সময় ঘরের আলমারী থেকে ডিবি সদস্যরা লবণ বিক্রয়ের ৬ লাখ টাকা নিয়ে যায় বলেও তার দাবি।

জানতে চাইলে জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, গত ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্ব›দ্বীতা করেন আমার স্বামী সাবেক চেয়ারম্যান ইউনুছ। ওই নির্বাচনে জয়ী হওয়া বিএনপি নেতা শরাফত উল্লাহ ওয়াসিমের ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তে বশিভুত হয়ে ডিবি পুলিশ ইউনুছকে ফাঁসাতে ইয়াবা ও অস্ত্র উদ্ধারের নাটক সাজিয়েছে।

এ ব্যাপারে কক্সবাজার গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) অংসা থোয়াই ইউনুছের স্ত্রীর করা অভিযোগ সঠিক নয় বলে দাবি করে বলেন, বিভিন্ন তথ্য যাচাইয়ের পর ইউনুছকে আটক করা হয় এবং তার স্বীকারোক্তি মতে অভিযান চালিয়ে ৪টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয় তার বাড়ি থেকে।

জানা গেছে, গত রবিবার রাতে কক্সবাজার শহরের কলাতলী এলাকা থেকে ইউনুছকে আটক করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি টিম। পরে তার স্বীকারোক্তি অনুসারে সোমবার ভোর রাতে পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের নিজ বাড়ি থেকে দুই হাজার পিস ইয়াবা বডি ও ৪ টি দেশীয় তৈরি অস্ত্র (এলজি) এবং ৮ রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। ইউনুছ পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের কাকপাড়া এলাকার মৃত জিল্লুর রহমান ছেলে এবং ওই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান। তার বিরুদ্ধে ডজনখানেক মামলা থাকলেও ওই মামলায় জামিনে রয়েছেন তিনি। সবকটি মামলায় ২০০৯ সালের পূর্বে দায়ের হওয়া।

পেকুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জহিরুল ইসলাম খান মামলা দায়েরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

কক্সবাজার হেড কোয়াটারে দায়িত্বরত ডিবি’র সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সৌমিত্র চাকমা বলেন, কোন না কোন পক্ষ ডিবি পুলিশকে খবর দিয়ে ইউনুছকে আটক করালেও তার স্বীকারোক্তি মতে বাড়ি থেকে অস্ত্র ও ইয়াবা পাওয়ার ঘটনা সাজানো নয়। তাই ধৃত ইউনুছের বিরুদ্ধে দুটি মামলা দায়ের হয়েছে। তবুও পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ উঠায় বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে।

Share

Leave a Reply

x

Check Also

কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে মহান বিজয় দিবস উদযাপিত

—V প্রেস বিজ্ঞপ্তি :কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় বিজয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। দিবসের ...

Portrait of a professional, showcasing contact details and role information.