
আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ১৪ দলীয় জোটের ২৩ নেতার সঙ্গে সংলাপে অংশ নেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ২০ নেতা। ঐক্যফ্রন্টের নেতৃত্ব দেন ড. কামাল হোসেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলটির জ্যেষ্ঠ কয়েকজন নেতা।
বৃহস্পতিবার রাত ১০টা ৫০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে সংলাপ শেষে বের হয়ে আসেন ঐক্যফ্রন্টের নেতারা। সংলাপ শেষে ড. কামাল হোসেনের বেইলি রোডের বাসায় সাংবাদিকদের ঐক্যফ্রন্টের নেতারা যা বলেছেন তা তুলে ধরা হলো
সাংবাদিক বন্ধুগণ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আজকের যে আলোচনা, আমরা মনে করি এটা দীর্ঘ সময় ধরে হয়েছে। প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা। শুরুতে ড. কামাল হোসেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা তিনি সূচনা বক্তব্য রেখেছেন। এরপরেই আমাদের জোটের অন্যতম শীর্ষ নেতা বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তিনি জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সাত দফা দাবি উত্থাপন করেছেন। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অন্যান্য নেতারাও বক্তব্য রেখেছেন।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ঢাকা শহরসহ সারাদেশে সভা সমাবেশ ও রাজনৈতিক কর্মসূচির উপর কোন বাঁধা থাকবে না। রাজনৈতিক দলগুলো যেখানে সভা-সমাবেশ করতে চাইবে, তাদের কোন বাঁধা দেবেন না। এবং আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করার জন্য ইতোমধ্যে নির্দেশ দিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী রাজনৈতিক মামলাও সম্পর্কে বলেছেন, রাজনৈতিক নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে গায়েবী মামলা ও গণগ্রেফতার হচ্ছে, সেটা আমরা তুলে ধরেছে আমাদের নেতৃত্ববৃন্দ। তিনি বলেছেন সে মামলাগুলো তালিকা দেন আমরা অবশ্যই সেগুলো বিবেচনা করবো, যাতে হয়রানি না হয়। সেইগুলো আমরা বিবেচনা নিয়ে আসবো। উত্থাপিত দাবি নিয়ে ভবিষ্যতে আলোচনা অব্যাহত থাকবে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়ে সংলাপে আলোচনার বিষয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, এটা নিয়ে আলোচনা হয়েছে, তিনি সুনির্দিষ্টভাবে কোন কিছুই বলেননি। তিনি বলেছেন এ বিষয় নিয়ে ভবিষ্যতে আলাপ-আলোচনা হতে পারে। মির্জা ফখরুল সংলাপ নিয়ে বলেন, আমি সন্তুষ্টি হইনি।
আস ম আব্দুর বর বলেন, আমরা সাত দফা দিয়েছি, মানা না মানা দায়িত্ব হলো সরকারের। আমাদের কর্মসূচি আমরা দিয়েছি, সেটা অব্যাহত থাকবে।
সূত্র:somoynews.tv;ডেস্ক।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.