সাম্প্রতিক....
Home / প্রচ্ছদ / আন্তর্জাতিক / সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

শনিবার ভোরে সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কের আশপাশে শুরু হয় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা। ছবি: রয়টার্স

সিরিয়ার বিদ্রোহী অধ্যুষিত দৌমা এলাকায় রাসায়নিক হামলার পর দেশটির কয়েকটি সরকারি ভবনে ক্ষেপণাস্ত্র আক্রমণ করেছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং ফ্রান্স সামরিক বাহিনী। সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের বরাত দিয়ে গণমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, এই হামলায় আহত হয়েছে তিনজন বেসামরিক ব্যক্তি।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, ১৪ এপ্রিল, শনিবার ভোরবেলায় এই বিমান হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র এবং এর মিত্র রাষ্ট্রগুলো। রাসায়নিক অস্ত্র মজুদ রাখার সন্দেহে এসব ভবনে হামলা করা হয়। মূলত সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কের আশপাশে এই হামলা হয়।

গত সপ্তাহে সিরিয়ার দৌমা এলাকায় ‘রাসায়নিক গ্যাস হামলার’ পেছনে দেশটির সরকার রয়েছে—এমন অভিযোগ এনেছিল সরকারবিরোধী বিদ্রোহীরা। আর এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে যেন মার্কিন সরকার কোনো পদক্ষেপ না নেয়, সে ব্যাপারে তাদেরকে সতর্ক করে রাশিয়া। সিরিয়ায় চলমান যুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়া বিপরীত দুই পক্ষকে সমর্থন দিচ্ছে।

এক বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘ফ্রান্স এবং যুক্তরাজ্যের সামরিক বাহিনীর সঙ্গে সম্মিলিতভাবে অভিযান চলবে।’

পেন্টাগনের এক সংবাদ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ারম্যান অব জয়েন্ট চিফ অব স্টাফ, জেনারেল জোসেফ ডানফোর্ড জানিয়েছেন, তিনটি স্থান লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্র দেশগুলো। স্থানগুলো হলো—

  • দামেস্কের একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান। এখানে রাসায়নিক ও জৈব অস্ত্র উৎপাদন হতো বলে অভিযোগ রয়েছে।
  • হোমস শহরের পশ্চিমে অবস্থিত এক রাসায়নিক অস্ত্রাগার।
  • হোমসের কাছাকাছি আরেক রাসায়নিক অস্ত্রাগার। এখান থেকে রাসায়নিক অস্ত্র হামলার নির্দেশ দেওয়া হতো।

সিরিয়ার সরকারি টেলিভিশন জানিয়েছে, এই হামলায় এক ডজনেরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে সে দেশের সামরিক বাহিনী।

সিরিয়া সরকারের মিত্র রাশিয়া এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই ঘটনার (হামলার) উত্তর দেওয়া হবে।

জেনারেল ডানফোর্ড আরও জানান, এমন সব স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করা হয়েছে, যাতে রাশিয়ার ক্ষয়ক্ষতি কম হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেমস ম্যাটিস জানিয়েছেন, এই হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

এই হামলায় যুক্তরাজ্যের জড়িত থাকার ব্যাপারটি নিশ্চিত করেছেন সে দেশের প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে। একইভাবে ফ্রান্সের জড়িত থাকার তথ্য জানিয়েছেন সে দেশের রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল ম্যাঁখো।

আপাতত এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বিরতই দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র এবং মিত্র দেশগুলো। তবে সিরিয়ার রাষ্ট্রপতি বাশার আল আসাদ আবারও রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের চেষ্টা করলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করবে যুক্তরাষ্ট্র।

সূত্র:কে এন দেয়া-priyo.com;ডেস্ক।

Share

Leave a Reply

x

Check Also

কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে মহান বিজয় দিবস উদযাপিত

—V প্রেস বিজ্ঞপ্তি :কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় বিজয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। দিবসের ...

Portrait of a professional, showcasing contact details and role information.