র্যাবের যেসব সদস্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও দেশপ্রেমের আদর্শে বলীয়ান হয়ে জীবন বিসর্জন দিয়ে সর্বোচ্চ ত্যাগের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, তাদের কথা ভোলার নয় বলে মন্তব্য করেছেন র্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ।
র্যাবের ১২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন তিনি।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, এলিট ফোর্স হিসেবে আত্মপ্রকাশের পর থেকে র্যাব কর্ম দক্ষতা, সততা, নিষ্ঠা, নিরপেক্ষ ও সাহসের সঙ্গে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করে আসছে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি জঙ্গি, চরমপন্থী ও সন্ত্রাস দমন, অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার, অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসা রোধ, ভেজাল বিরোধী অভিযান চালিয়ে আসছে। এছাড়া রাজনৈতিক অস্থিতিশীল পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, এমনকি চুরি যাওয়া নবজাতক উদ্ধারসহ জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা কর্মসূচিতে র্যাবের সাহসী অবদান সব মহলে প্রশংসিত হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ পুলিশের অংশ হিসেবে ২৬ মার্চ ২০০৪ তারিখে মহান স্বাধীনতা দিবস প্যারেডের মধ্যদিয়ে যাত্রা শুরু করে এ এলিট ফোর্স র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। প্রাথমিকভাবে চারটি ব্যাটালিয়ন নিয়ে র্যাব গঠিত হলেও বর্তমানে র্যাব ১৪টি ব্যাটালিয়নের মাধ্যমে সারাদেশে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষায় র্যাব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, অত্যাধুনিক ত্রিমাত্রিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে এরইমধ্যে র্যাবে দুটি উন্নত প্রযুক্তি সম্পন্ন হেলিকপ্টার সংযোজন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে জল ও স্থল বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে অভিযান, অনুসন্ধান ও উদ্ধার কাজ পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রত্যন্ত অঞ্চল, এমনকি সুন্দরবনের গভীর জঙ্গলেও স্বল্পতম সময়ে অভিযান পরিচালনা করা সহজ হয়েছে।
এ পর্যন্ত র্যাব এক লাখ ৬৭ হাজার ৬৬ জনের বেশি সন্ত্রাসী, জঙ্গি, অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায়ীসহ নানা অপরাধের সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনেছে। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করেছে ১২ হাজার ৪৮২টির বেশি দেশি-বিদেশি অস্ত্র, এক লাখ ৮১হাজার ৩৯৫ রাউন্ডের বেশি গোলাবারুদ, ১৮ হাজার ৩৯২টির বেশি বোমা-গ্রেনেড-ককটেল ও প্রায় পাঁচ হাজার কেজি বিস্ফোরক দ্রব্য।
সূত্র: রাইজিংবিডিডটকম,ডেস্ক।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"



You must be logged in to post a comment.