
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী ১ম থেকে ৩য় শ্রেণি পর্যন্ত পরীক্ষা বাতিলের সব প্রক্রিয়া ইতোমধ্যেই চূড়ান্ত হয়েছে। আগামী বছর ১০০টি স্কুলে পরীক্ষা মূলকভাবে এ পদ্ধতি কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছেন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। এ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে শিক্ষাবিদরা বলছেন, সরকারের এমন সিদ্ধান্তে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আরো সমৃদ্ধ হবে ।এমন নির্দেশনায় শিশু শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অভিভাবকরাও নিজেদের চাপমুক্ত মনে করছেন।
তুবা, রাজধানীর একটি বেসরকারি স্কুলে ১ম শ্রেণিতে পড়ালেখা করছে। স্কুল থেকে এসেই প্রতিদিন হোম ওয়ার্ক শেষ করতে পড়ার টেবিলে বসে পড়তে হয় তাকে। আর তারপর কোচিং, বাড়ির পড়া সব মিলিয়ে বয়সের তুলনায় একটু বেশি বোঝা বহন করতে হয় তুবাকে। যেকারণে নেই তার খেলার ফুরসত।
তুবার মতো এমন অবস্থা আরো অনেক শিক্ষার্থীই। বর্তমান সমাজে সন্তানের একাডেমিক ভালো ফলাফলের প্রতিযোগিতায় নেমেছেন প্রায় সব অভিভাবকই। শৈশবে এমন পড়ার চাপে নূব্জ প্রায় প্রতিটি শিক্ষার্থী। তবে সম্প্রতি ১ম শ্রেণি থেকে পরীক্ষা বাতিলের ঘোষণায় খুশি অভিভাবকরা।
সরকারের এমন সিদ্ধান্তকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন শিক্ষাবিদরা। এ পদ্ধতি বাস্তবায়নে শিক্ষকদের প্রতিশ্রুতি ও আন্তরিক সদিচ্ছা প্রয়োজন বলেও মনে করছেন তারা।
ড. এম অহিদুজ্জামান বলেন, আমরা যারা শিক্ষক, তাদের আন্তরিকতা প্রয়োজন।
আগামী বছর থেকেই এ পদ্ধতি প্রথমে ১০০ স্কুলে চালু করা হবে এ জন্য শিক্ষকদেরকে এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে বলে জানান, প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেন, আমরা এটাকে একটা পাইলট প্রজেক্টের মতো করে দেখছি।
পরীক্ষা না থাকলেও শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হবে আর সে মূল্যায়ন করবেন শ্রেণী শিক্ষকরাই।
স্কুলে একজন শিক্ষার্থী তার দিনের অর্ধেক সময় কাটায়। তাই ৩য় শ্রেণী পর্যন্ত পরীক্ষা বাতিল সরকারের এমন সিদ্ধান্ত একজন শিক্ষার্থীর শৈশবে তার মেধা ও মনন বিকাশে এবং বেড়ে উঠতে সহায়ক হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সূত্র: somoynews.tv-ডেস্ক।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.