
১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল; ফাইল ফটো।
সরকারি হিসাবে সত্তরের দশক থেকে ৩০টির মতো বড় ঘূর্ণিঝড় বাংলাদেশে আঘাত হেনেছে। এগুলোর বেশিরভাগই আঘাত হেনেছে মে ও নভেম্বর মাসে। এর মধ্যে জানমালের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয় ৭০ এর ঘূর্ণিঝড়ে। সিডরও তাণ্ডব চালিয়েছিল ২০০৭ সালের নভেম্বরেই।
গেল ৫০ বছরে সবচেয়ে প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ভোলা সাইক্লোন। ১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বর আঘাত হানা ওই ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলা। সরকারি হিসাবে ৩ লাখ এবং বেসরকারি হিসাবে প্রায় ৫ লাখ মানুষ প্রাণ হারায়।
১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল আঘাত হানে আরেক ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড়। চট্টগ্রামের উপকূলীয় অঞ্চলে ঘণ্টায় ১৫৫ মাইল বেগে বয়ে যাওয়া ওই ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ১৯ জেলার ১০২টি উপজেলা। পাঁচদিনে প্রাণ হারায় ১ লাখ ৩৯ হাজার মানুষ।
১৯৮৮ সালের নভেম্বরে ধেয়ে আসে আরেক ঘূর্ণিঝড়। যশোর, কুষ্টিয়া, ফরিদপুর, খুলনা ও বরিশালের বিভিন্ন চরাঞ্চলে ঘণ্টায় ১৬২ কিলোমিটার বেগে আঘাত হানে। ১৪ ফুট উঁচু জলোচ্ছ্বাসে ভেসে যায় মানুষ, বসতবাড়ি, গবাদিপশু। প্রাণ হারায় প্রায় ১২ হাজার মানুষ।
চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, নোয়াখালী, সন্দ্বীপ ও হাতিয়ায় উড়ির চর ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে ১৯৮৫ সালের ২২ মে। ভয়াবহ ওই সাইক্লোনে মারা যায় প্রায় ১২ হাজার মানুষ।

২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর, সিডরের আঘাতে জেলে পল্লী, শরণখোলা উপজেলার রায়েন্দাবাজার।
২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় সিডর তছনছ করে দেয় খুলনা ও বরিশালের উপকূলীয় অঞ্চল। ঘণ্টায় ২৬০ কিলোমিটার গতিবেগে বয়ে যাওয়া ঘূর্ণিঝড়ের সময় জলোচ্ছ্বাসের উচ্চতা ছিল ১৫ ফুট।
২০০৯ সালের ২৫ মে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ হয়ে খুলনা উপকূলীয় এলাকায় আঘাত হানে প্রবল ঘূর্ণিঝড় আইলা। ঘণ্টায় বাতাসের গতিবেগ ছিল ৭০ থেকে ৯০ কিলোমিটার।
এছাড়াও ২০০৮ সালের মে মাসে ঘূর্ণিঝড় নার্গিস, ২০১৩ সালের ১৬ মে ঘূর্ণিঝড় মহাসেন, ২০১৫ সালে কোমেন, ২০১৬ সালের ২১ মে রোয়ানু, ২০১৭ সালে ঘূর্ণিঝড় মোরা উপকূলীয় অঞ্চলে আঘাত হানে। তবে এসব ঘূর্ণিঝড় খুব বেশি ক্ষতি করতে পারেনি।
সূত্র: somoynews.tv – ডেস্ক।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.