সাম্প্রতিক....
Home / প্রচ্ছদ / সাম্প্রতিক... / টেকনাফে ভারীবর্ষণে পাহাড় ধসে দুই শিশু নিহত : ১০ জন আহত : শতাধিক বসত-বাড়ি ও মৎস্যঘের বিলীন

টেকনাফে ভারীবর্ষণে পাহাড় ধসে দুই শিশু নিহত : ১০ জন আহত : শতাধিক বসত-বাড়ি ও মৎস্যঘের বিলীন


গিয়াস উদ্দিন ভূলু; টেকনাফে :

টেকনাফে গভীর রাত থেকে লাগাতার বৃষ্টি ও ভারীবর্ষণে অর্ধ-শতাদিক বসত-বাড়ি ধস, মৎস্যঘেঁরসহ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। পাশাপাশি পাহাড় ধসে বসতবাড়ী চাপা পড়ে দুই শিশু নিহত ও ১০জন আহত হয়েছে।

তথ্য সূত্রে জানা যায়, ১০সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) গভীর রাত থেকে সকাল পর্যন্ত টেকনাফ পৌরসভা পুরান পল্লান পাড়া এলাকায় পাহাড় ধসের পৃথক দুটি ঘটনায় বসত-বাড়ি চাপা পড়ে ২জন শিশু মারা যায়, উক্ত ঘটনায় ১০/১২জন আহত হয়।

নিহত শিশুরা হচ্ছে, মোঃ আলমের মেয়ে আলিফা (৫), রবিউল আলমের পুত্র মেহেদী হাসান (১০)। এদিকে জাফর আলমের মেয়ে শারমিন (৭), আব্দুস সালামের মেয়ে আলিমা (১৭) তার মা-বাবা, ভাই-বোন ও চাচা-চাচীসহ প্রায় ১০ জন আহত হয়। স্থানীয় লোকজনের সহযোগীতায়, সিপিপি ভলান্টিয়ার, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আলিফা ও মেহেদী মারা যায়। এছাড়া গুরুতর আহত শারমিন ও আলিমাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।

ঘটনার খবর পেয়ে সকাল হতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিশেষ টিম নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানের পাহাড় ও টিলায় ঝুঁকিপূর্ণ বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে আসার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধরা অভিযানে নেমেছেন।

এই ছাড়া গতরাত থেকে টানা বর্ষণে টেকনাফ উপজেলার আওয়তাধীন পৌরসভা, সদর, হ্নীলা, সাবরাং ও বাহারছড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন পাহাড়ী এলাকায় বিচ্ছিন্ন ভাবে প্রায় অর্ধ-শতাধিক বসত-বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এদিকে পানিবন্দী ও ক্ষতিগ্রস্ত সাধারণ মানুষ গুলোর খোঁজ খবর নেওয়ার জন্য অত্র এলাকার জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় প্রশাসনের সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

এই ব্যাপারে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রবিউল হাসান জানান, ভারী বৃষ্টিতে পাহাড় ধসে প্রাণহানির ঘটনা না ঘটে তার জন্য এই বর্ষা মৌসুমে বেশ কয়েকবার সর্তকতামূলক প্রচারণা চালানো হয়েছিল। হঠাৎ করে গতরাত থেকে ভারী বর্ষণে পাহাড় ধস ও ঘর চাপা পড়ে ১০/১২জন আহত হয়। আহতদের স্থানীয় সিপিপি ভলান্টিয়ার, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের লোকজন তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে প্রেরণ করে। তাদের মধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মেহেদী হাসান ও আলিফা নামে ২জন শিশু মারা যায়।

এছাড়া বসত-বাড়ি ধসে ক্ষয়ক্ষতি এবং বেশ কয়েকটি মৎস্যঘেঁর ভেসে যাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

ক্ষয়ক্ষতির পরিমান কত হবে তার তালিকা তৈরী করার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি।

Share

Leave a Reply

x

Check Also

কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে মহান বিজয় দিবস উদযাপিত

—V প্রেস বিজ্ঞপ্তি :কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় বিজয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। দিবসের ...

Portrait of a professional, showcasing contact details and role information.