
দোছড়ি রাস্তাটিতে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে টমটম ও ডাম্পার।
হুমায়ুন কবির জুশান; উখিয়া :
কক্সবাজার জেলার উখিয়ার গ্রামীণ জনপদের অধিকাংশ সড়ক সুন্দর পরিপাটি চমৎকার দেখতে। কিন্তু অদৃশ্য কারণে রাজাপালং ইউনিয়নের দোছড়ি গ্রামটি নানাবিধ সুযোগ-সবিধা থেকে বঞ্চিত নাগরিকরা। বিশেষ করে রাস্তাঘাটের অবস্থা খুবই খারাপ। দোছড়ি খালের বালি উত্তোলন করে তা পরিবহন করছে ডাম্পার দিয়ে। এতে বিভিন্ন রাস্তায় খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়। যানবাহন চলাচলে উল্টে গিয়ে অনেকেই আহত হয়েছেন।
গেল বর্ষায় রাস্তায় পানি জনে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে এলাকাবাসিকে। সেই সময় রাজাপালং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান স্থানীয়দের কথা দিয়েছিলেন তিনি পূণঃ নির্বাচিত হলে সড়কটি সুন্দরভাবে করে দেবেন। খানা-খন্দকে ঝাঁকুনিতে অনেক সুস্থ মানুষও অসুস্থ হয়ে পড়ে।
স্থানীয় ছৈয়দ আলম বলেন, তিন বারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান জাহাঙ্গির কবির চৌধুরী এবার নির্বাচনের আগে কথা দিয়েছেন এই রাস্তা তিনি করে দেবেন। আশা করছি এবার এই রাস্তার চেহারা এই রকম থাকবে না। যা কষ্ট পাওয়ার আমরা পেয়েছি। এই রাস্তা দিয়ে উখিয়া সদর হয়ে কক্সবাজারে যাতায়াতসহ ছাত্রছাত্রীরা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে লেখাপড়া করতে যাওয়া-আসা করে থাকেন। দ্রুত সংস্কারসহ টেকসই উন্নয়নের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, সড়কের বিভিন্ন জায়গায় বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে করে মানুষের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। বিশেষ করে স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীদের বেশি ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
রাজাপালং এলাকার মোহাম্মদ ইসলাম বলেন, দোছড়ি গ্রামে আমাদের চাষাবাদের জমি আছে। গতকাল দোছড়ি গ্রামে গিয়েছিলাম। বছরের পর বছর ধরে পুরো রাস্তা বেহাল দশা। এই রাস্তা দিয়ে হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করে থাকে। বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও চেয়ারম্যান চাইলে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে। আশা রাখব জনদুর্ভোগ লাগবে চেয়ারম্যান প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
রাজাপালং ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসার ছাত্র আব্দুল্লাহ ও বালিকা মাদ্রাসার ছাত্রী আয়েশা এবং উখিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী জান্নাত আরা বলেন, এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন মাদ্রাসা ও স্কুলে যাওয়া আসা করি। কিন্তু পুরো রাস্তায় খানাখন্দে ভরপুর। এছাড়াও কয়েকটি জায়গায় বড় বড় গর্ত রয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে এই রাস্তাটির সংস্কার দাবি করছি।
প্রতি হাট-বাজারে ছোট খালের পাশে পাহাড়ি এলাকায় বসবাসরত উনচিপ্রং মারমা বলেন, আমরা তরিতরকারি নিয়ে এই রাতা দিয়ে চলাচল করি। টমটম করে যাওয়ার সময়ে ঝাঁকুনিতে মাথায় প্রচন্ডভাবে আহত হয়েছি।
ব্যবসায়ী খুলু মিয়া বলেন, রাস্তার কারণে মানুষের যেভাবে দুর্ভোগ পোহাতে হয়, অন্যকোনো কারণে তেমন দুর্ভোগ পোহাতে হয় না।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.