
এম আবুহেনা সাগর; ঈদগাঁও :
কক্সবাজার সদর উপজেলার ঈদগাঁও থেকে রাত্রে এক ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়ার একদিন পর মুক্তিপণ দিয়ে ছাড় পেল অপহৃত তারেক। সে ঈদগাঁওর ভাদিতলার কবির আহমদের পূত্র।
প্রাপ্ত তথ্য মতে, অপহরণের পর থেকে মুঠোফোনে মুক্তিপণ দাবী করে আসছিল অপহরনকারীরা। অর্থের অভাবে নিজের ছেলেকে বাঁচাতে প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েও না পেয়ে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের কাছে গেলে তিনি তারেকের মোবাইলে কল দিয়ে অপহরনকারীদের সাথে কথা বলেন এবং তারেককে ছেড়ে দিতে বলেন। না হয় পরিনতি ভাল হবে না, পাহাড়ে চিরুনি অভিযান চালানো হবে বলে হুংকার দেন কউক চেয়ারম্যান। এক পর্যায়ে বাধ্য হয়ে তারেকের বাবা ধার কর্জ করে ১ লক্ষ টাকা দিতে সম্মতি হয়।
এরপর শুরু হয় স্থান নির্ধারন। বিভিন্ন স্থান নির্ধারনের পর রামু জোয়ারিয়ানালা এলাকার পূর্বে গহীন জঙ্গলে। মুক্তিপণের টাকা দিতে গেলে তারেকের বাবা এবং বড় ভাইকেও বেধে রেখে কারন জানতে চাই অপহরণকারীরা।কেন কউক চেয়ারম্যান, পুলিশ, চেয়ারম্যানকে ঘটনা জানিয়ে ছিস বলে শারীরিক নির্যাতন করে তারা। এদিকে মুক্তিপণের টাকা পেয়ে রাত সাড়ে দশটার দিকে তারেককে ছেড়ে দেওয়া হয়। তাকে স্বজনরা উদ্ধার করে ঈদগাঁওস্থ একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করায়।
উল্লেখ্য যে, গত ২৫ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ২ টার দিকে ভাদিতলা রাইচমিল সংলগ্ন এলাকায় থেকে তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। অপহৃত তারেক ঈদগাঁও বাশস্টেশন ভাই ভাই হোটেলের পাশে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পানের দোকান বন্ধ করে প্রতিদিনের ন্যায় বাসায় যাচ্ছিল। এমন সময় জাফরের রাইচমিল পর্যন্ত পৌছল অপহরণ চক্রের সদস্যরা তাকে জিম্মি করে গহীন জঙ্গলে নিয়ে যায়। এরপর থেকে তার বাবার কাছে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবী করে আসছিল। স্থানীয় এমইউপি জিয়াউর রহমান জিয়া উপরোক্ত ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.