উখিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে সী লাইন স্টেশন ও উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে টমটম

হুমায়ুন কবির জুশান; উখিয়া :
বিদ্যালয়ের সামনে কক্সবাজার-টেকনাফ আরাকান সড়কের পাশে সী-লাইন স্টেশন ও যানবাহনের শব্দ দুষণে শিক্ষার পরিবেশ হারাচ্ছে উখিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও উখিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়। নষ্ট হচ্ছে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ।
উখিয়া সদর এলাকার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উখিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ১৯২২ সালে ও উখিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ১৯৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। উখিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বর্তমান ছাত্রছাত্রী ১০২৪। শিক্ষক শিক্ষিকার সংখ্যা ১৩ জন। আর উখিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের বর্তমান ছাত্রছাত্রী ১০৬৬। শিক্ষক শিক্ষিকার সংখ্যা ১৮ জন। উখিয়ার শিক্ষা বিস্তারে প্রাথমিক ও উচ্চ বিদ্যালয়টি শিক্ষা প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এই দুইটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ফটকের সামনে প্রবেশ মুখে যত্রতত্র রাখা হয় সী-লাইন টমটমসহ বিভিন্ন যানবাহন। এতে ছাত্রছাত্রীরা বিদ্যালয়ে প্রবেশে প্রতিবন্ধকতার শিকার হয়।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, উখিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের গেইটের সামনে উখিয়া ষ্ঠেশন জামে মসজিদের প্রবেশ মুখে টমটম ও ২০ গজ পিছনে রয়েছে সিএনজি স্টেশন এবং উখিয়া থানা রোড়। এরই ৩০ গজ সামনে উখিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ফটকের ছাত্রছাত্রীদের প্রবেশ মুখে রয়েছে সী-লাইন স্টেশন। নুর হোটেলের মিষ্টি খেতে এনজিওর গাড়ি পার্কিং জনদুর্ভোগ আরো বাড়িয়ে দেয়। এমনিতেই রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এই এলাকায় নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের দেখতে প্রায় প্রতিদিনই দেশ-বিদেশের রাষ্ট্র প্রধান ও ভিআইপিদের আগমণে এক লাইনের সড়কটিতে দীর্ঘ যানজট লেগেই থাকে। তাই এই সড়কটি চার লেনে উন্নীতকরণের দাবিতে গত ৭ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদে স্থানীয় সাংসদ আব্দুর রহমান বদি জোর দাবি উত্থাপন করেছেন। এনজিওদের গাড়ি ও সী-লাইন উখিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে থেমে যাচ্ছে। বিদ্যালয়ের সামনে গড়ে ওঠে অননুমোদিত বাস স্টেশন। স্পেশাল বাস ছাড়াও এই মহাসড়কে চলাচলকারি সী-লাইন, কক্স-লাইন, টমটম, সিএনজি, টেম্পোসহ বিভিন্ন যানবাহন বিদ্যালয়ের সামনে দাড়িঁয়ে যাত্রী উঠানামা করে। দিনের বেলায় গাড়ির হর্নে মারাতœক শব্দ দুষণের শিকার হচ্ছে বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিশুরা।
এ প্রসঙ্গে উখিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হারুনুর রশিদ বলেন, বিদ্যালয় প্রবেশ পথে সী-লাইন বাস স্টেশন গড়ে ওঠায় ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও অভিভাবকদের চলাফেরায় সমস্যা হয়। এছাড়া শব্দ দুষণের শিকার হচ্ছে শিশুরা। উখিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল হোসেন সিরাজি বলেছেন, ছাত্রশিক্ষকের পাশাপাশি ধর্মপ্রাণ মুসলিদের মসজিদে নামাজ আদায়ের ক্ষেত্রেও টমটম গাড়ি দাঁড়িয়ে থেকে যাত্রী ওঠানামা করার কারণে চরমভাবে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তাই কক্সবাজার টেকনাফ মহাসড়কটি চার লেনে উন্নীত করা গেলে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি এলাকার উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.