দ্বিতীয়বারের মতো প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর তুরস্ক সফরে গেলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তুরস্কের প্রথম পরমাণু ঘাঁটি `আকুইয়ু` নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করতেই দেশটিতে সফর করছেন বিশ্বের ক্ষমতাধর এই নেতা। আর এই উপলক্ষে জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে আঙ্কারা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি হবে ভূমধ্যসাগর উপকূলীয় শহর মারসিনে।
জানা গেছে, আকুইয়ু পরমাণু ঘাঁটিটি রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি সংস্থা রোজাটম নির্মাণ করবে। এই ঘাঁটির চারটি ইউনিট থাকবে, যার প্রতিটি ইউনিট ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম হবে। পরমাণু ঘাঁটি নির্মাণ করতে মোট ব্যয় হবে দুই হাজার কোটি ডলার। পরমাণু স্থাপনাটি নির্মাণ করতে ২০১০ সালে মস্কোর সঙ্গে একটি চুক্তি করেছিল আঙ্কারা।
কাতারভিত্তিক আল-জাজিরা টেলিভিশন জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে দুটি ইউনিটের কাজ শেষ করা হবে যা থেকে ২,৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে। পরবর্তীতে বাকি দুটি ইউনিটের কাজ শেষ করা হবে। ঘাঁটিটি পুরোপুরি চালু হলে সেখান থেকে সাড়ে তিন হাজার কোটি কিলোওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে যা তুরস্কের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার শতকরা ১০ ভাগ। এই পরিমাণ বিদ্যুৎ লাগে শুধু ইস্তাম্বুল শহরেই।
সূত্র:deshebideshe.com;ডেস্ক।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.