
ইন্দোনেশিয়ায় নদীতে আস্ত ফুটওভার ব্রিজ ভেঙে পড়ার ঘটনায় কমপক্ষে সাতজন প্রাণ হারিয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছে আরো তিনজন। তারা আর বেঁচে নেই বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরো ২০ জন। হতাহতদের বেশিরভাগই কিশোর।
অকস্মাৎ ব্রিজটি ভেঙে পড়ার কারণ হিসাবে বলা হয়েছে, অতিরিক্ত ভারেই এটি ভেঙে নদীতে পড়ে গিয়েছিলো।
সোমবার সকালে স্থানীয় কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এক আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম জানায়, রোববার বিকেলে সুমাত্রা দ্বীপের বেনংকুলু প্রদেশের কাউর জেলায় এই ফুটওভার ব্রিজটি ভেঙে পড়ে। এতে নদীতে পড়ে যায় ৩০ জনের মতো অল্পবয়সী কিশোর। এদের মধ্যে সাতজন নদীর স্রোতের টানে হারিয়ে যায়। পরে দুর্ঘটনাস্থলের ১২ কিলোমিটার দূর থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে উদ্ধারকর্মীরা।
এ ঘটনায় এখনও নিখোঁজ রয়েছে ১৪ থেকে ১৭ বছর বয়সী তিন কিশোর। তবে তারা আর বেঁচে নেই বলেই আশঙ্কা করছেন স্থানীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রধান।
ওই বিভাগের প্রধান উজাং সাইফিরি জানান, রোববার বিকেলে সুমাত্রা দ্বীপের একটি জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিদর্শনে বের হয়েছিল ৩০ জন কিশোর-কিশোরী। ফেরার পথে তারা ওই ফুটওভার ব্রিজের ওপর থেকে স্রোতস্বিনী নদীর ফটো ও ভিডিও করতে থাকে। এসময় কেউ কেউ আবার মজা করে ব্রিজটি দোলাতে থাকে। কিন্তু একসঙ্গে এত মানুষের চাপ বহন করতে না পেরে নদীতে ভেঙে পড়ে ব্রিজটি।
ব্রিজটি ভেঙে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ওইসব কিশোরও নদীতে পড়ে যায়। আর নদীর স্রোতের টানে দ্রুত হারিয়ে যায় এদের ১০ জন। ইতিমধ্যে সাতজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছে আরো তিনজন।
তবে উদ্ধারকারীরা নদী থেকে ২০ জনকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। এদের প্রায় সবাই আহত। যদিও তাদের কারো আঘাতই গুরুতর নয়।
সূত্র: deshebideshe.com – ডেস্ক।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.