ধর্ম যার যার উৎসব সবার। বাংলাদেশ অসম্প্রদায়িক চেতনার দেশ। এদেশে বাস করা মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খৃষ্ট্রান যে যার ধর্ম পালন করলেও আমরা সবাই বাঙ্গালী। আমাদের মাঝে রয়েছে ভ্রাতৃত্ববোধ ও সম্প্রীতি। যার প্রমাণ দুর্গোৎসব গিরে মন্ডপে মন্ডপে বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের উপস্থিতি। দুর্গোৎসব এখন শুধু সনাতন সম্প্রদায়ের একার উৎসব নয়। এই উৎসব সার্বজনীন উৎসবে রুপ পেয়েছে। তাই এই দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। তাই এই উৎসবের শেষ লগ্নে মায়ের কাছে প্রার্থনা থাকবে আমাদের মাঝে যে ঐক্য তা যেন বজায় থাকে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চকরিয়া সার্বজনীন কেন্দ্রীয় হরি মন্দিরের পূজা মন্ডপ পরিদর্শকালে সেনা বাহিনীর ১০ আর্টিলারি বিগ্রেডের বিগ্রেডিয়ার জেনারেল খন্দকার শফিউর রহমান এসব কথা বলেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনীর চকরিয়া ক্যাম্পের ২ ফিল্ড রেজিমেন্টের আর্টিলারির অধিনায়ক লে:কর্ণেল মো: সাইদুর রহমান পিএসসি, উপ-অধিনায়ক মেজর উজ্জল আহম্মেদ, বিগ্রেড মেজর শামিম, চকরিয়া কেন্দ্রীয় হরি মন্দিরের সভাপতি ডাক্তার তেজেন্দ্র লাল দে, চকরিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষ আ.ক.ম গিয়াস উদ্দিন, চকরিয়া পৌর আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ওয়ালিদ মিল্টন, হারাধন দাশ, অন্তরা সাংস্কৃতিক শিক্ষা কেন্দ্রের অধ্যক্ষ দ্বীপলাল চক্রবর্তী, পুজা উদযাপন কমিটির সভাপতি মিল্টন কিশোর দাশ, সাধারণ সম্পাদক রাজু ধর, কর্মকর্তা রাজীব ধর, রুবেল ধর, পুতুল দাশ, রনজিত শুক্লাদাশ, উৎসব চৌধুরী, নিশান দাশ, ইমন দাশ, সমাপন দে, জিসান দাশপ্রমুখ।
এসময় তিনি কেক কেটে অতিথি ও আগত পুজারীদের মাঝে বিতরণ করেন।
এর আগে মন্ডপ পরিদর্শন করেন কক্সবাজার জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফেরদৌস আহমেদ, কেন্দ্রীয় কৃষকলীগের যুগ্ম সম্পাদক রেজাউল করিম, চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাহেদুল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো: মাসুদ আলম, চকরিয়া পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি জাহেদুল ইসলাম লিটু, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ফজলুল করিম সাঈদী, ক্রীড়া সংগঠক এস.এম আলমগীর হোছাইন, চিরিংগা হিন্দুপাড়া যুবকল্যাণ সমিতির সভাপতি ধনরঞ্জন দাশ মিটু, পৌর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক রেজাউল করিম, ফেরদৌস ওয়াহিদসহ বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দরা।
এদিকে শুক্রবার বিকালে মাতামুহুরী নদীর ব্রীজ পয়েন্টে আনুষ্টানিকভাবে প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। গত তিনবছর প্রতিমা বিসর্জনকে গিরে মাতামুহুরীর চর অসম্প্রদায়িক মহামিলন মেলায় পরিণত হয়েছে। ওই চরে হিন্দু-মুসলিম পরিবারের শিশুসহ নারী-পুরুষরা জড়ো হয়ে উৎসবে মেতে উঠে। এবারও ওই উৎসব আরো প্রসার ঘটবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন উপজেলা বিসর্জন কমিটির অর্থ-সচিব রতন বরন দাশ। এই উৎসবকে ঝাকজমকপূর্ণ করতে আওয়ামীলীগের নেতা-কর্মীরাও সেচ্ছাসেবকের ভূমিকা পালন করবে বলে জানান পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি জাহেদুল ইসলাম লিটু।
অন্যদিকে দুর্গোৎসবকে গিরে নিরাপত্তা প্রদানে এবার অতীত সকল রেকর্ড ভঙ্গ করেছে। পুলিশ আনসারের পাশাপাশি বিজিবি’র টিম ছিলো সার্বক্ষণিক। মোবাইল ডিউটিতে ছিলো র্যাবের টিম। ফলে ৬ষ্ঠী থেকে দশমী পর্যন্ত অনাকাংখিত কোন ঘটনা ঘটেনি।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"



You must be logged in to post a comment.