কক্সবাজারের চকরিয়া থেকে সায়মা আক্তার নামক ১৬ বছর বয়সী এক তরুণীকে অপহরণ করে হত্যার অভিযোগ উঠার ১০৫ দিন পর ওই তরুণী উদ্ধার হয়েছে চট্টগ্রামের বাঁশখালী থেকে। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে তরুণীকে জীবন্ত উদ্ধারের পর হত্যায় অভিযুক্তদের মাঝে ফিরেছে স্বস্তি।
পুলিশ জানায়, উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের বিবিরখিল গ্রামের নুরুল ইসলামের মেয়ে সায়মা আক্তার (১৬) নিখোঁজ হয় ১৮ জুলাই। এ ঘটনায় সায়মার মা আয়েশা বেগম বাদী হয়ে অপরণপূর্বক হত্যার অভিযোগে চকরিয়া সিনিয়র জুড়িশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে একটি নালিশি মামলা দায়ের করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে মামলা হিসেবে রুজ্জু করতে থানা পুলিশকে নির্দেশ দেয়।
পুলিশ দীর্ঘদিন তদন্ত করে ৩ নভেম্বর যৌতুকের জন্য মৃত্যু ঘটানোর অপরাধ আইনে মামলাটি এন্ট্রি করেন। এ মামলায় আসামী করা হয় সায়মার প্রেমিক খালাতো ভাই রাশেদ মিয়া, মামা আক্তার হোসেন, খালা নুর আয়েশা বেগম ও নানী রাশেদা বেগমকে। মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয় এসআই সুখেন্দু বসুকে।
চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ প্রভাষ চন্দ্র ধর জানান, নিখোঁজ মেয়েকে হত্যার অভিযোগে মামলা দায়ের হওয়ার সাথে সাথে আসামীরাই থানায় এসে জানায়, সায়েমাকে কেউ অপহরণ বা হত্যা করেনি। সে স্বইচ্ছায় প্রেমিক খালাতো ভাইয়ের সাথে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেছে। তারা বাশঁখালীস্থ শ্বশুর বাড়ীতে রয়েছে। ফলে স্থানীয় মেম্বারের সহায়তায় পুলিশ বাশঁখালীতে গিয়ে সায়েমাকে উদ্ধার করে।
চকরিয়া থানায় আনার পর ৪নভেম্বর বুধবার সন্ধ্যায় এ প্রতিবেদকের প্রশ্নোত্তরে সায়মা বলেন, আমার বয়স ১৮। আমাকে কেউ অপহরণ করেনি। খালতো ভাই রাশেদকে ভালবেসে বিয়ে করেছি। আমরা সুখে আছি।
চকরিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) কামরুল আজম বলেন, উদ্ধার হওয়া মেয়েটিকে আদালতে পাঠিয়ে ২২ ধারায় জবানবন্দী নেয়া হবে। প্রয়োজন হলে বয়স সনাক্তে ডাক্তারী পরীক্ষা করানো হবে। অপ্রাপ্ত বয়স্ক হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"



You must be logged in to post a comment.