
এম আবু হেনা সাগর; ঈদগাঁও :
কোরবানির পশুর পরিচর্চা ও বিক্রয়ের প্রস্ততি ঈদগাঁওর ব্যবসায়ীদের। ঈদুল আজহা তথা কোরবানের ঈদ আর মাত্র কিছুটা দিন বাকি।
আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের গ্রামীন জনপদের ব্যবসায়ীরা এবার তাদের পালনকৃত গরু-মহিষ ঈদে বিক্রয়ের লক্ষে নানান পরিচর্চা করে যাচ্ছেন। এবার ছোট বড় দেশী গরুর চাহিদা কিন্তু বেশি। সে সাথে মহিষের কদরও কম নয়। বাজারে দেশীয় গরুর চাহিদা থাকা সত্ত্বেও বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে ভীনদেশীয় নানা জাতের গরু প্রবেশ করায় লাভের আশার পরিবর্তে ক্ষতির শংকায় ভোগছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। এমনকি দুশ্চিন্তায় দিন কাটছেন অনেকের।
জানা যায়, প্রতিবছরের ন্যায় এই বছরও কোরবানির ঈদে ঈদগাঁওয়ের ঐতিহ্যবাহী হাট বাজারে গরু-মহিষ তোলার লক্ষে প্রস্তুতি গ্রহণ করছেন ব্যবসায়ী ও খামারিরা। বার্মাইয়া পশুর কারনে দেশীয় পশু নিয়ে চরম বেকায়দায় পড়েন খামারিরা। ছোট বড় খামারের পাশাপাশি উপজেলার আওতাধীন বিভিন্ন এলাকার লোকজন অধির অপেক্ষার প্রহর গুনছেন ঈদে তাদের পালিত পশু হাটে তোলবে।
এদিকে দেশীয় গরুর চাহিদা থাকায় ক্রেতারা বাজারের পাশাপাশি খামার ও গ্রামগঞ্জের খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে পছন্দের গরু কেনার বিষয়েও আগ্রহ প্রকাশ করেন ক্রেতা সাধারণ।
তবে সচেতন মহল জানান, চলাচল সড়ক দিয়ে দিনে বা রাতে ভিনদেশীয় গরু এনে মজুদ করা হয়। এছাড়া এলাকার গরুও রাখা সম্ভব হয়না অনেক সমস্যা হয়। আরো জানান, কোরবানের বাজারে মায়ানমারের গরুর কারনে পশু নিয়ে বেকায়দায় স্থানীয়রা। ক্রেতাদের নজর নেই। কোরবানের বাজারে সঠিক দামে পশু বিক্রি নিয়ে হতাশও ব্যবসায়ীরা।
গ্রাম্য ব্যবসায়ী নুরুচ্ছফা জানান, বার্মাইয়া গরু আসার কারনে গ্রামে পালিত দেশীয় পশু দাম কমছে। এতে ব্যবসায়ীরা চরম দু:চিন্তায় রয়েছে।
প্রান্তিক গরু খামারি রাশেল এ প্রতিবেদককে জানান, কোরবানের ঈদে ঈদগাঁওতে এবার ভীনদেশীয় পশু আসায় দেশীয় পশুর কাঙ্ক্ষিত দাম নিয়ে হতাশায় রয়েছি। এতে প্রান্তিক খামারিরা ক্ষতির সম্মুখিত হচ্ছে। এসব দেখার যেন কেউ নেই।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.