সাম্প্রতিক....
Home / প্রচ্ছদ / কুতুবদিয়ার ১ ফিশিং ট্রলার ২৭ জন মাঝি-মাল্লাসহ ভারতীয় কোষ্টগার্ডের নিকট আটক

কুতুবদিয়ার ১ ফিশিং ট্রলার ২৭ জন মাঝি-মাল্লাসহ ভারতীয় কোষ্টগার্ডের নিকট আটক

Fishing Bootএম.রাসেল খাঁন জয়; কুতুবদিয়া:

কুতুবদিয়ার ১ ফিশিং ট্রলার ২৭ জন মাঝি-মাল্লা নিয়ে ভারতীয় কোষ্টগার্ডের নিকট আটক হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ফিশিং ট্রলারটি কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া উপজেলার কৈয়ারবিল ইউনিয়নের নজর আলী মাতবর পাড়া এলাকার নূরুল হুদার পুত্র জিয়াউর রহমান (বাবুল) এর মালিকানাধীন এফ.বি জেড রহমান যার রেজি নং এস ৮১৯২।

ট্রলার মালিকসুত্রে প্রকাশ, ৫ নভেম্বর কুতুবদিয়া উপকূল থেকে এফ.বি জেড রহমান ২৭ জন মাঝি-মাল্লা নিয়ে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার জন্য যায়। ফিশিং ট্রলারটি বঙ্গোপসাগরে মাছধরারত অবস্থায় ঘন কুয়াশার কারনে মাঝি মোঃ ছাবের দিক নির্দেশনা ভূল করে বাংলাদেশ জলসীমা থেকে ভারতের জলসীমায় প্রবেশ করলে কর্তব্যরত সেদেশের কোষ্টগার্ড ২৭ জন মাঝি-মাল্লাসহ ট্রলারটি আটক করে। পরে অবৈধ্যভাবে অনুপ্রবেশের অভিযোগে ভারতীয় কোষ্টগার্ড ২৭ জন মাঝি-মাল্লাসহ ট্রলারটি ভারতের প্যাজারগঞ্জ কোষ্টাল থানায় সোপর্দ করেন। তখন থেকে ফিশিং ট্রালারটি ২৭ জন মাঝি-মাল্লা নিয়ে নিখোঁজ হয়ে যায়।

ফিশিং ট্রলার মালিক জিয়াউর রহমান (বাবুল) অনেক জায়গায় খোঁজাখুঁজির পর না পেয়ে ১০ নভেম্বর ভারতীয় ফোন নং ০০৯১৭৭৯৭৩৮২৩৯৩ নং এর মাধ্যমে যোগাযোগ করলে ভারতীয় কোষ্টগার্ড কর্তৃক মাঝি-মাল্লাসহ ট্রলারটি আটক হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয় ট্রলার মালিক।

আটককৃত মাঝি-মাল্লারা বর্তমানে ভারতীয় কারাগারে আছে।

এ ব্যাপারে ট্রলার মালিক জিয়াউর রহমান (বাবুল) ১০ নভেম্বর কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া থানায় সাধারণ ডায়েরী করেন। কুতুরদিয়া থানার ডায়েরী নং ২৭১। এদিকে আটক হওয়ার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে মাঝি-মাল্লাদের পরিবারে কান্নার রুল পড়ে। তাদের আত্মীয় স্বজনরা আটককৃত মাঝি-মাল্লাদের ছাড়িয়ে আনতে বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন।

Share

Leave a Reply

x

Check Also

https://coxview.net/wp-content/uploads/2023/01/BGB-Rafiq-24-1-23.jpeg

বিপুল পরিমাণ পপিক্ষেত ধ্বংস করল বিজিবি

মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম; লামা-আলীকদম : পার্বত্য জেলা বান্দরবানে থানচি উপজেলা গহীণ অরণ্যে মাদক দ্রব্য প্রস্তুতকারক ...

Portrait of a professional, showcasing contact details and role information.