কক্সবাজারের চকরিয়া কোরক বিদ্যাপীঠের আবাসিক হোস্টেলে তুচ্ছ ঘটনায় লিপ্ত হওয়া নবম শ্রেণীতে পড়ুয়া দুই বন্ধু সায়েম ও মাসুদের বিবাদ থামানোয় ক্ষুব্ধ মাসুদের ছুরিকাঘাতে গুরুতর জখম হয়েছে ঝগড়া করতে বাঁধা দেয়া তৃতীয় বন্ধু মুশফিকুল ইসলাম মিসকাত। আহত মুশফিক ভারুয়াখালীর মোহাম্মদ হোসাইনের ছেলে। গত শনিবার দিবাগত রাত ১০ টার দিকে এ ঘটনার পর ছুরিকাঘাত করা বন্ধু পালিয়ে গেছে। ছুরিকাহত তৃতীয় বন্ধুকে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
কোরক বিদ্যাপীঠের আবাসিক ছাত্র প্রত্যক্ষদর্শী সৈকত বড়ুয়া বলেন, রাত ৯টার দিকে বিদ্যালয়ের আবাসিক হোস্টেলে থাকা নবম শ্রেণীর বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র কক্সবাজার সদর উপজেলা ঈদগাঁও এলাকার বাসিন্দা মো.মাসুদ ও সায়েম ফয়েজ তুহিন তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে প্রথমে বাগবিতন্ডা ও পরে হাতাহাতিতে লিপ্ত হয়। এতে নিকটে থাকা (একই উপজেলার ভারুয়াখালীর) একই শ্রেণীর বাণিজ্য বিভাগের ছাত্র মুশফিকুল ইসলাম মিসকাত এগিয়ে গিয়ে মাসুদ ও সায়েমের ঝগড়া থামায়।
এর পরপরই রাত ১০টার দিকে হোস্টেলের বেশীরভাগ ছাত্র নামাজ আদায় করতে স্কুল মসজিদে চলে যায়। কিন্তু মাসুদ স্কুলের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকে। বেশীর ভাগ ছাত্র চলে যাওয়ার পর হোস্টেল কক্ষে অবস্থান করা মুশফিকের কাছে গিয়ে মাসুদ গালিগালাজ শুরু করে। বিবাদ থামানোয় গালিগালাজ করার প্রতিবাদ করে মুশফিক। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বেঞ্চের ফাঁক থেকে ছারপোকা মারতে রাখা একটি ধারালো ছুরি নিয়ে মাসুদ মাথায় আঘাত করলে গুরতর জখম হয় মুশফিক। গুরুতর আহত মুশফিককে অপরাপর ছাত্ররা চকরিয়া সরকারী হাসপাতালে নিয়ে যায়। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পরও রক্তক্ষরণ অব্যাহত থাকায় এবং বমি করায় হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। তার শারিরিক অবস্থা রবিবার সুস্থ হয়ে উঠছিলো বলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা: মোহাম্মদ ছাবের জানান।
রাতে আহত ছাত্রকে দেখতে ছাত্র-শিক্ষকরা হাসপাতালে ছুটে যায়। কিন্তু ঘটনাটি সংবাদপত্রে প্রকাশ না করতে অনুরোধ করার পাশাপাশি বক্তব্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন শিক্ষকরা।
এ ব্যাপারে থানায় রবিবার বিকাল পর্যন্ত থানায় কোন অভিযোগ দেয়া হয়নি।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"



You must be logged in to post a comment.