কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার পূর্ববড় ভেওলা ইউনিয়নে দাবীকৃত যৌতুক না পেয়ে ডেজিনা আক্তার (২৭) নামের এক গৃহবধূকে নির্মমভাবে শাররীক নির্যাতন করা অভিযোগ উঠেছে । শুক্রবার রাতে ওই গৃহবধূকে স্বামী শাশুর ও দেবর অমানবিক মারধর করায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে ডেজিনাকে।
আহত গৃহবধূর পরিবার সদস্যরা জানান, উপজেলার কোণাখালী ইউনিয়নের ৬নম্বর ওয়ার্ডের মরংঘোনা এলাকার শাহ আলমের মেয়ে ডেজিনা আক্তারের (২৮) সাথে ২০০৪ সালে বিয়ে হয় একই উপজেলার পূর্ববড় ভেওলা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের নুরুল ইসলামের ছেলে হাফেজ মোহাম্মদ ওয়ারেস’র সাথে। বিয়ের সময় বর পক্ষকে মালামালসহ আড়াই লাখ টাকা যৌতুক দেয়া হয়। তাদের সংসারে বর্তমানে দুটি মেয়ে সন্তান রয়েছে। স্বামী ওয়ারেস দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার একটি মসজিদে ইমামতি করছেন।
আহত গৃহবধূ ডেজিনা আক্তার অভিযোগ করে বলেন, বিয়ের কয়েকবছর পর থেকে ফের যৌতুকের জন্য স্বামী ওয়ারেস, শাশুর নুরুল ইসলাম ও দেবর জয়নাল আবেদিনসহ শশুরালয়ের আত্মীয়রা আমাকে (গৃহবধূ ডেজিনা) নানাভাবে নির্যাতন করতে শুরু করে। এক পর্যায়ে আমার উপর শারিরীকভাবে নির্যাতন ও চালাতে শুরু করে স্বামী ওয়ারেস। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে কয়েকবার শালিস বৈঠক হয়। সর্বশেষ বৈঠকে স্বামী ও শাশুর বাড়ির লোকজন ঘটনার জন্য তাদের দোষ স্বীকার করে স্থানীয় বিচারকদের কাছ থেকে ক্ষমা চেয়ে গৃহবধূ ডেজিনাকে বাবার বাড়ি থেকে শাশুর বাড়িতে নিয়ে যায়।
গৃহবধূ ডেজিনার অভিযোগ, তার স্বামী ওয়ারেস দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় একটি মসজিদে ইমামতি করার সুবাদে সেখানে একটি মেয়ের সাথে তার পরকিয়ায় জড়িয়ে পড়ে। এতে বাঁধা ও প্রতিবাদ করায় ক্ষিপ্ত হয়ে মোটা অংকের যৌতুক দাবী করে। এনিয়ে শুক্রবার দিবাগত রাতে আমাকে কাঠের বাটাম দিয়ে পিটিয়ে জখম করে।
চকরিয়া থানার ওসি প্রভাষ চন্দ্র ধর সাংবাদিকদের বলেন, গৃহবধূকে মারধরের কয়েকটি ছবি স্বজনরা আমাকে দেখিয়েছেন। এব্যাপারে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"



You must be logged in to post a comment.