টেকনাফে ৫১ হাজার ৩১৯ শিশুকে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়। ১৪ নভেম্বর শনিবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত উপজেলার ১৭০টি কেন্দ্রে লাল ও নীল রংয়ের ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়। উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের সার্বিক তত্ত্বাবধানে জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন টেকনাফ উপজেলায় সফল ভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে।
এদিকে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সীর (এক লাখ আই ইউ) নীল রংয়ের প্রতিবন্ধিসহ ৪ হাজার ৯৮৪ জন শিশুকে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়। তবে টার্গেট অনুযায়ী ২৬৬ জন শিশু বাহিরে থেকে যায়। এ ক্যাপসুল র্টাগেটের চেয়ে ২৫০টি কম সবরাহ ছিল। এছাড়া ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সীর (দুই লাখ আই ইউ) নীল রংয়ের ৪৫ হাজার ৩৩৫ শিশুকে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়। তবে টার্গেটের চেয়ে ১৯৪ শিশুকে বেশী খাওয়ানো হয় বলে জানায় স্বাস্থ্য বিভাগ।
টেকনাফ হাসপাতালের স্বাস্থ্য পরিদর্শক অফিস ইনর্চাজ দেলোয়ার হোসেন জানান, জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন সফলভাবে সম্পূর্ণ করা হয়েছে। প্রতি ইউনিয়নে ২৪টি করে ৬ ইউনিয়নে ১৪৪টি, নয়াপাড়া শরণার্থী ক্যাম্পে ৮টি, লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ৮টি, টেকনাফ সদরে অতিরিক্ত ৪টি, অতিরিক্ত হিসাবে দমদমিয়া চেকপোস্ট, বাস স্টেশন, টেকনাফ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, হ্নীলা স্বাস্থ্য কেন্দ্র, সাবরাং পরিবার কল্যান কেন্দ্র, হোয়াইক্যং কাঞ্জরপাড়া পরিবার কল্যান কেন্দ্রসহ ১৭০টি কেন্দ্রে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়। তবে প্রত্যেক কেন্দ্রে স্বেচ্ছাসেবক এবং সুপারভাইজার এবং স্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা, এনজিও সংস্থা শেড, সুর্যের হাসি ক্লিনিক, ব্রাক, হিতৈষী বাংলাদেশ, মেরী স্টোপস ক্লিনিক, ইউএনএইচসিআর, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ ৫১০ জন কর্মী দায়িত্ব পালন করেন।
টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ভারঃ) ডাঃ মোঃ আতাউর রহমান জানান, এ উপজেলায় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন শতভাগ সফল ভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে। শিশুদের রাতকানা রোগ থেকে বাঁচাতে এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়। তবে সকলের অংশ গ্রহনে এ ক্যাম্পেইনটি সফল ভাবে সম্পন্ন করা হয় বলে জানিয়েছেন।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"



You must be logged in to post a comment.