
গিয়াস উদ্দিন ভুলু; টেকনাফ :
টেকনাফ হোয়াইক্যং নাফনদী সীমান্তে মাদক পাচারকারীদের সাথে বিজিবির গোলাগুলি সংঘটিত হয়েছে। এ ঘটনায় মাদক পাচারে জড়িত ২ রোহিঙ্গা যুবক নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে বিজিবি’র তিন সদস্য। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বিপুল পরিমান ইয়াবা,অস্ত্র ও গুলি।
তথ্য সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের মাধ্যমে বিজিবি জানতে পারে টেকনাফ হোয়াইক্যং ইউনিয়ন লম্বাবিল নাফনদী সীমান্ত এলাকা দিয়ে ইয়াবার একটি বড় চালান মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পাচার হতে পারে। সেই গোপন সংবাদের তথ্য অনুযায়ী ১৮ অক্টোবর গভীর রাত দেড়টার দিকে বিজিবি সদস্যরা উক্ত এলাকায় অবস্থান নেয়। কিছুক্ষন পর দুর থেকে লক্ষ্য করে দেখা যায় ৪/৫ জন লোক একটি হস্ত চালিত কাঠের নৌকা দিয়ে বাংলাদেশের জলসীমা দিয়ে প্রবেশ করছে। এরপর বিজিবি তাদের চ্যালেন্জ করে দাঁড়ানোর জন্য সংকেত দেয় কিন্তু তারা সেই আদেশ অমান্য করে বিজিবি সদস্যদের লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ী গুলি বর্ষণ শুরু করে। তাদের ছোঁড়া গুলিতে হোয়াইক্যংএ দায়িত্বরত ল্যান্স নায়েক জহিরুল ইসলামসহ বিজিবি’র ৩ সদস্য গুরুতর আহত হয়। এরপর আত্মরক্ষার্থে বিজিবিও পাল্টা গুলি চালায়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আসার পর ঘটনাস্থলে ২জন যুবককে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে বিজিবি সদস্যরা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে টেকনাফ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করে। সেখানে পৌঁছার পর ডাক্তার দুই জনকে মৃত ঘোষণা করে।
নিহত যুবকরা হচ্ছে,উখিয়া কুতুপালং রোহিঙ্গা শিবির এ/৩ ব্লকের বাসিন্দা সুলতান আহাম্মদের পুত্র মোঃ আবুল হাসিম(২৫), একই ক্যাম্পের সি/১ ব্লকের আবু সিদ্দিকেে পুত্র নুর কামাল(১৯)।
এদিকে ঘটনাস্থল তল্লাশী করে এক কোটি, ৫০ লাখ টাকা মূল্যের ৫০ হাজার ইয়াবা, ১টি দেশীয় তৈরী অস্ত্র, ২ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ২টি ধারালো কিরিচ উদ্ধার করতে সক্ষম হয় বিজিবি।
সত্যতা নিশ্চিত করে, টেকনাফ ২ বিজিবি অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোঃ ফয়সাল হাসান খান বলেন, টেকনাফ সীমান্ত উপকুল ব্যবহার করে যারা এখনো মাদক পাচার অব্যাহত রাখার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সেই জড়িত অপরাধীদের কঠোর হস্তে দমন করার জন্য সীমান্ত প্রহরী বিজিবি সদস্যদের মাদক বিরোধী চলমান অভিযান অব্যাহত থাকবে।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.