সাম্প্রতিক....
Home / প্রচ্ছদ / সাম্প্রতিক... / টেকনাফে শরণাথী ক্যাম্প গুলোতে পানির জন্য হাহাকার : দুর্ভোগ চরমে

টেকনাফে শরণাথী ক্যাম্প গুলোতে পানির জন্য হাহাকার : দুর্ভোগ চরমে

গিয়াস উদ্দিন ভুলু; টেকনাফ :

টেকনাফের শরণার্থী ক্যাম্পের হাজার হাজার রোহিঙ্গা পানির জন্য হাহাকার করছে।

এদিকে প্রচন্ড পানি সংকট নিরসন করতে কাজ করে যাচ্ছে দেশী-বিদেশী বেশ কয়েকটি এনজিও সংস্থার কর্মিরা।

রোহিঙ্গাদের মধ্যে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করতে তারা শত শত শ্রমিক ও কর্মী বাহিনী নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। কিন্তু হাজার হাজার রোহিঙ্গাদের এক সাথে পানি সরবরাহ করতে গিয়ে হিমশিম ও বেকাদায় পড়তে হচ্ছে সহযোগিতাকারী এনজিও সংস্থার মাঠ কর্মীদের।

টেকনাফ হ্নীলা ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি রোহিঙ্গা ক্যাম্প ঘুরে দেখা যায়, ক্যাম্প এলাকা থেকে একটু বিশুদ্ধ খাবার পানি সংগ্রহ করতে শত শত নারী পুরুষ,যুবক যুবতী প্রধান সড়কের আশে-পাশে, পাড়া-মহল্লায়, স্থানীয়দের পুকুর, নলকুপ ও পাককুয়া খুঁজে বেড়াচ্ছে। সন্ধ্যার পর থেকে এই ধরনের চিত্র চোঁখে পড়ার মত। আর ক্যাম্প এরিয়ায় পর্যাপ্ত পরিমাণ নলকূপ না থাকায় এমন সংকট দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এদিকে বেশ কয়েকটি বেসরকারি এনজিও সংস্থা রোহিঙ্গাদের পানি সরবরাহ করলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। আর যে সমস্ত রোহিঙ্গারা পাহাড়ের উচুঁ এলাকায বসতি স্থাপন করেছে। পানির জন্য তাদের কষ্টও না দেখলে বুঝা যাবে না। তারা কয়েক কিলোমিটার দূর থেকে খাবার পানি সংগ্রহ করতে হয়।

অপরদিকে বেশ কয়েকটি দেশী-বিদেশী বিশিষ্ট জনেরা মিনারেল ওয়াটার পানির বোতল তুলে দিচ্ছে রোহিঙ্গাদের হাতে। কিন্তু সেই পানি বিতরনের সংখ্যা খুবেই কম। কেউ পাচ্ছে, কেউ পাচ্ছে না।

বিশিষ্ট জনদের বিতরণ করা পানির বোতল নিতে আসা ১০ বছর বয়সি এক কিশোর পানি বোতল না পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ে সে। এরপর পানি সরবরাহকারী একজন যুবক এগিয়ে এসে তাকে এক বোতল পানি দিলে আনন্দে আর খুশিতে দৌড়ে চলে যায় রোহিঙ্গা বস্তির দিকে।

সূত্রে জানা যায়, লেদা রোহিঙ্গা বস্তিতে প্রতিদিন বেশ কয়েকটি বেসরকারি এনজিও সংস্থা সকাল-বিকাল এসে হাজার খানেক রোহিঙ্গাকে পানি দিচ্ছে। খাবার পানি জনপ্রতি পানি মিলছে এক এক লিটার। এই পানি সরবরাহ তাদের জন্য খুবই অপ্রতুল। কারণ রোহিঙ্গা বস্তিতে এক ঘরে পরিবারের সদস্য সংখ্যা ৫ থেকে ১২ জন। বর্তমানে পানির অভাবে হাজার হাজার রোহিঙ্গার কষ্ট চোঁখে পড়ার মত। পানির অভাবে বেশীর ভাগ কষ্ট পাচ্ছে নারী, শিশুরা।

আবার ময়লা ও আবর্জনা ভরা পুকুরের পানি পান করে অনেক রোহিঙ্গা নর-নারী বিভিন্ন ভাইরাস রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।

পানি ও পুষ্টির অভাবে অনেক রোহিঙ্গা শিশু অসুস্থ হয়ে পড়েছে। অনেকে ডায়রিয়া, সর্দি, জ্বর ও চর্মরোগে আক্রান্ত হচ্ছে।

Share

Leave a Reply

x

Check Also

কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে মহান বিজয় দিবস উদযাপিত

—V প্রেস বিজ্ঞপ্তি :কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় বিজয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। দিবসের ...

Portrait of a professional, showcasing contact details and role information.