
নতুন ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাজিদ সাভিদ। ছবি: দ্য গার্ডিয়ান
সাজিদ জাভিদকে নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে। পাকিস্তানি বংশোদ্ভুত সাজিদ হতে যাচ্ছেন প্রথম ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, যিনি এশিয়ান বংশোদ্ভূত ও সংখ্যালঘু (বিএএমই)।
উইন্ডরাশ জেনারেশন বিতর্কে মাত্র একদিন আগেই পদত্যাগ করতে বাধ্য হন অ্যাম্বার রাড।
পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত মুসলমান সাজিদের বাবা-মা ১৯৬০-এর দশকে ব্রিটেনে পাড়ি জমান। যে উইন্ডরাশ জেনারেশন বিতর্কের কারণে সদ্য বিদায়ী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাম্বার রাডকে পদত্যাগ করতে হলো, সাজিদ জাভিদ ছিলেন তার কড়া সমালোচক। মাত্র ক’দিন আগেই উইন্ডরাশ জেনারেশন বিতর্কে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেছিলেন, ‘যাদের প্রতি অন্যায় করা হচ্ছিল, তারা আমার বাবা-মা বা আত্মীয়-স্বজন হতে পারত, এমনকি আমি নিজেও এই অন্যায়ের শিকার হতে পারতাম।’
১৯৪৮ সাল থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত যারা যুক্তরাজ্যে অভিবাসী হিসেবে আশ্রয় নিয়েছিলেন তাদেরকে ‘উইন্ডরাশ জেনারেশন’ বলা হয়। কিন্তু ব্রিটিশ সরকারের নানা বিতর্কিত নিয়মের কারণে তাদের অনেকেই অবৈধ হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছিলেন। বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই সমালোচনা, বিতর্ক ও ক্ষোভ ছিল। অ্যাম্বার রাড এই সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।
উইন্ডরাশ জেনারেশনকে ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ও ক্ষতিপূরণ দেওয়ার অঙ্গীকারও করেছিলেন। কিন্তু ঘটনার সূত্রপাত হয়েছে চলতি বছরের ২৫ এপ্রিল। সেদিন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির এক শুনানিতে রাডকে ডাকা হয়। এক প্রশ্নের জবাবে তখন রাড জানান, অবৈধ অভিবাসীদের তাড়ানোর কোনো উদ্দেশ্য তার নেই। কিন্তু ওই রাতেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি চিঠি ফাঁস করে দেয় ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান, যেখানে স্পষ্ট বলা ছিল ২০১৪-১৫ সালে কমপক্ষে ৭ হাজার ২০০ অবৈধ অভিবাসীকে বিতাড়ণের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করেছে অভিবাসন বিভাগ। ২০১৫-১৬ সালে সেই লক্ষ্য বাড়িয়ে ১২ হাজার করা হয়েছে। এ নিয়ে তীব্র বিতর্কের জেরে ২৯ এপ্রিল পদত্যাগ করেন রাড।
সূত্র:priyo.com;ডেস্ক।
coxview.net Bangla News Portal with Objectivity to spread worldwide "In Search of Truth at Every Moment"


You must be logged in to post a comment.